Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

অন্ধ্রে ফের বার্ড ফ্লু-র হানা, ৪ লক্ষ মুরগির মৃত্যু

ভোপাল ও বিজয়ওয়াড়ার ল্যাবে নমুনা পাঠানো হয়েছে।

অন্ধ্রে ফের বার্ড ফ্লু-র হানা, ৪ লক্ষ মুরগির মৃত্যু

গত ৪৫ দিনের মধ্যে অন্তত চার লক্ষ মুরগি মারা গিয়েছে।

শেষ আপডেট: 5 February 2025 13:42

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের বার্ড ফ্লু-র হানা! অন্ধ্রপ্রদেশে নিদেনপক্ষে ৪ লক্ষ মুরগির মৃত্যু হয়েছে এই রোগে। যার জেরে বুধবার নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য সরকার। সকলের অনুমান, বার্ড ফ্লু সংক্রমণে পালে পালে মুরগির মৃত্যু হলেও সঠিক কারণটি যাচাই করার জন্য নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্ধ্রের পশ্চিম গোদাবরী জেলায় মূলত এই রোগের প্রকোপ দেখা গিয়েছে। সরকারি হিসেবে, গত ৪৫ দিনের মধ্যে অন্তত চার লক্ষ মুরগি মারা গিয়েছে।

রাজ্যের পশুপালন দফতরের ডিরেক্টর দামোদর নাইডু বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, ভোপাল ও বিজয়ওয়াড়ার ল্যাবে নমুনা পাঠানো হয়েছে। তারপরেই এত পরিমাণে মুরগির মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বার্ড ফ্লু-র কারণেই মুরগি খামারগুলি শূন্য হয়ে পড়ছে। নাইডুর অভিযোগ, মুরগি চাষিদের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণও এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ।

তাঁর দাবি, মৃত মুরগিদের যত্রতত্র ফেলে দিচ্ছেন পোলট্রি মালিকরা। কেউ কেউ সোজা খালের জলে এবং জঞ্জাল ফেলার স্তূপে ফেলে চলে যাচ্ছেন। সে কারণে সংক্রমণ হু-হু করে বাড়ছে। ন্যূনতম সতর্কতা অবলম্বন না করার জন্যই পরিস্থিতি বিগড়ে গিয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। পশুপালন দফতরের আধিকারিকদের মতে, বার্ড ফ্লু প্রতিবছরই হানা দেয়। পশুপালন দফতরের তরফে পোলট্রি মালিকদের সচেতনতায় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর জন্য পশু চিকিৎসকদের গ্রামে গ্রামে পাঠানোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, এই সপ্তাহের শেষাশেষি সংক্রমণের হার কমতে শুরু করবে।


```