এই গাড়িতে চেপেই পালাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা
শেষ আপডেট: 21 January 2025 13:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাঝরাতের অভিযান চালিয়ে চার দুষ্কৃতীকে গুলি করে মারল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। সোমবার রাত ২.৩০ নাগাদ পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে কুখ্যাত কাগা গ্যাংয়ের চার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে একজন এসটিএফ ইনস্পেক্টরও গুলি লিয়ে গুরুতর জখম হয়েছেন বলে খবর। তবে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এই গ্যাংয়ের মাথা আরশাদকে খুঁজছিল পুলিশ। খুন, ডাকাতি-সহ প্রায় ১২টার বেশি অভিযোগ তার মাথায় ঝুলছিল। সে কারণে তার খোঁজ পেতে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণাও করা হয়েছিল। এছাড়া সহযোগী মনজিৎ ও সতীশের নামেও ছিল একাধিক অভিযোগ। সোমবার শামলি জেলার ঝিনঝানা এলাকায় দুষ্কৃতীদের আসার খবর পেয়েই অভিযানে নামে এসটিএফের মিরাট শাখা।
পুলিশ জানিয়েছে, চারজন দুষ্কৃতী একটি গাড়িতে করে যাচ্ছিল। তখনই পুলিশ তাদের গাড়ি আটকায়। গাড়ি আটকানো হলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। পাল্টা চালায় পুলিশও। এভাবে প্রায় ৪০ মিনিট গুলির লড়াই চলার পর আরশাদ-সহ ৪ জনকে এনকাউন্টার করল এসটিএফের বিশেষ দল।
তবে এসটিএফ ইন্সপেক্টর সুনীল কুমারের গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে করনালের অমৃতধারা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গুরুগ্রামের বেদান্ত হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। জানা গেছে, দুষ্কৃতীদের থেকে কয়েক রাউন্ড গুলি, দেশি কারবাইন বন্দুক-সহ বহু অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
রাজ্য সন্ত্রাসমুক্ত করতে এনজকাউন্টারের রাস্তায় আগেই হেঁটেছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। তা নিয়ে প্রবল সমালোচনা হলেও সিদ্ধান্ত বদল হয়নি। উল্টে তা আরও বেড়েছে। জানা গেছে, ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল এই সাত বছরে উত্তরপ্রদেশে ২১৭ জন অপরাধীকে এনকাউন্টারে মেরেছে পুলিশ।