Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বন তহবিলের টাকায় আইফোন, ল্যাপটপ কেনা হয়েছে উত্তরাখণ্ডে! বিজেপি শাসিত রাজ্যে ব্যাপক অনিয়ম

ভারতের নিয়ন্ত্রক ও নিরীক্ষক জেনারেল (CAG)-এর '২১-'২২ অর্থবর্ষের একটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিকল্পনা ও অনুমতি ছাড়াই বন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং শ্রমিক কল্যাণ বোর্ড সরকারি তহবিল ব্যবহার করেছে।

বন তহবিলের টাকায় আইফোন, ল্যাপটপ কেনা হয়েছে উত্তরাখণ্ডে! বিজেপি শাসিত রাজ্যে ব্যাপক অনিয়ম

উত্তরাখণ্ড

শেষ আপডেট: 22 February 2025 12:46

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বন সংরক্ষণের (Forest Funds) জন্য বরাদ্দ টাকা দিয়ে আইফোন, ল্যাপটপ কেনা হচ্ছে উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand)। বিজেপি শাসিত (BJP) রাজ্যে এই সাংঘাতিক অনিয়মের বিষয়টা সামনে এসেছে কেন্দ্রীয় অডিটের সময়। ভারতের নিয়ন্ত্রক ও নিরীক্ষক জেনারেল (CAG)-এর '২১-'২২ অর্থবর্ষের একটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিকল্পনা ও অনুমতি ছাড়াই বন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং শ্রমিক কল্যাণ বোর্ড সরকারি তহবিল ব্যবহার করেছে।

শুক্রবার উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে বলা হয়েছে, শ্রমিক কল্যাণ বোর্ড ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে সরকারের অনুমতি ছাড়াই ৬০৭ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এমনকি বনভূমি হস্তান্তরের নিয়মও লঙ্ঘন করেছে।

ক্যাগ রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভবন সংস্কার এবং আদালতের মামলার খরচ মেটানোর মতো অন্যান্য উদ্দেশ্যে ল্যাপটপ, ফ্রিজ এবং কুলার কেনার জন্য এই তহবিল ব্যবহার করা হয়েছিল।

এছাড়াও, বনভূমি হস্তান্তরের নিয়মও উপেক্ষা করা হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে। বলা হয়েছে, কেন্দ্র রাস্তা, বিদ্যুৎ, জল সরবরাহ লাইন, রেলপথ এবং অফ-রোড লাইনের মতো বনায়ন বহির্ভূত কাজের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে, কিন্তু তাতে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অনুমতির প্রয়োজন ছিল। অথচ, '১৪ থেকে '২২ সালের মধ্যে ৫২টি ক্ষেত্রে, অনুমতি না নিয়েই কাজ শুরু হয়।

শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে রোপণ করা গাছের বেঁচে থাকার হারও কম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝালে '১৭-'২২ সালে, রোপিত বেঁচে থাকা গাছের হার ছিল মাত্র ৩৩ শতংশ। যা নির্ধারিত ৬০-৬৫ শতাংশের  চেয়ে অনেকটাই কম।


```