
নরেন্দ্র মোদীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আসছেন বিদেশি রাষ্ট্রনেতারা
শেষ আপডেট: 8 June 2024 17:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার সন্ধেয় তৃতীয়বারের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী। আর এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান হয়েছে একাধিক বিদেশি রাষ্ট্রনেতাকে। ইতিমধ্যে তাঁদের মধ্যে দুজন ভারতে এসে গেছেন। বাকিরা রবিবার সকালের মধ্যেই চলে আসবেন। কারা রয়েছেন আমন্ত্রিতদের তালিকায়?
এতদিন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের উঠোনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হত। তবে এবার সেই অনুষ্ঠান হতে চলেছে 'কর্তব্য পথ'-এ। আগে ঠিক ছিল মোদী শপথ নেবেন শনিবার সন্ধ্যায়। কিন্তু সেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান একদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়। বিজেপি সূত্রে খবর ছিল, বিদেশি অতিথিদের কথা ভেবেই সময় ও দিন বদল করা হয়েছে। আমন্ত্রিতদের মধ্যে যারা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে সবথেকে চর্চিত নাম মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মইজ্জু।
মালদ্বীপের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক যে তলানিতে ঠেকেছে তার জন্য কূটনৈতিক মহল এই মইজ্জুকেই দায়ী করে। দীর্ঘ সময় ধরে ভারত-বিরোধী প্রচার চালিয়েছেন তিনি। আসলে মইজ্জু 'চিনপন্থী' বলেই পরিচিত। তিনিই মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট পদে শপথের দিন ভারতীয় সেনাকে দেশ ছাড়তে বলেছিলেন। এবার সেই মহম্মদ মইজ্জুকে নরেন্দ্র মোদী তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ডেকে ঠিক কী বার্তা দিতে চাইছেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও মোদীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মুইজ্জু আসবেন কিনা, দিল্লির তরফে এখনও পর্যন্ত সেই বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে মুইজ্জু এলে এটা তাঁর প্রথম ভারত সফর হতে চলেছে৷ মইজ্জু ছাড়া আর কারা রয়েছেন আমন্ত্রিতদের তালিকায়, তা দেখে নেওয়া যাক।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী - শেখ হাসিনা
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী - শেরিং তোবগে
মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী - প্রবিন্দ কুমার যুগনৌথ
শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি - রণিল উইক্রেমেশিঙ্গে
নেপালের প্রধানমন্ত্রী - পুষ্পা কোমল দাহাল
সিশেলের উপরাষ্ট্রপতি - আহমেদ আফিফ
রবিবারের এই মেগা ইভেন্টের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ থেকে নিরাপত্তারক্ষীরা। আঁটোসাঁটো নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে রাজধানীকে। শুক্রবারই জাল আধার কার্ড নিয়ে সংসদ ভবনে ঢুকতে গিয়ে ধরা পড়েছে তিন সন্দেহভাজন। তারা সকলেই উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা এবং শ্রমিক বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর নিরাপত্তাকর্মীরা আরও সতর্ক হয়ে গেছেন।
পুলিশ ছাড়াও প্যারামিলিটারি ফোর্স, এনএসজি কম্যান্ডোরা রবিবারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন। স্নাইপারের পাশাপাশি ড্রোন দিয়ে নজরদারি চালানো হবে।