.webp)
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
শেষ আপডেট: 8 October 2024 08:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামী মাসে বিজেপি শাসিত উত্তরাখণ্ডে চালু হতে চলেছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। দেবভূমি হিসাবে পরিচিত এই পাহাড়ি রাজ্যেই প্রথম বিজেপি তাদের জন্মলগ্নে ঘোষিত এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত করতে চলেছে।
দলীয় সূত্রের খবর, উত্তরাখণ্ডের অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আইন গোটা দেশে মডেল হিসাবে তুলে ধরে প্রচার করবে দল। তারপর গোটা দেশেই এক বিধি চালু করার পথে হাঁটবে বিজেপি। ইতিমধ্যে বিজেপি শাসিত গোয়া সরকারও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চাল করতে কমিটি গড়েছে। আগামী ৯ নভেম্বর উত্তরাখণ্ড রাজ্যের জন্মদিন। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বলবৎ করার জন্য ওই দিনটি বেছে নিয়েছে রাজ্য সরকার।
অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হলে কী কী পরিবর্তন আসবে নাগরিক জীবনে? প্রশাসনেই বা কী পরিবর্তন হবে এরফলে? অভিন্ন দেওয়ানি বিধির অর্থ দেশের সব নাগরকের জন্য অভিন্ন আইন। এই ব্যাপারে অপরাধ দমন বা ফৌজদারি দণ্ডবিধিতে কোনও ভেদাভেদ না থাকলে দেওয়ানি আইনে আছে।
তাতে উল্লেখযোগ্য হল, বিয়ের বয়স, বিবাহ বিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার ইত্যাদি। মুসলিম-সব বেশ কিছু ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে এই ব্যাপারে নিজস্ব বিধি চালু আছে। নরেন্দ্র মোদী সরকার ২০১৯-এ তিন তালাককে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে আইন করে। ফলে তিন তালাক প্রথায় বিবাহ বিচ্ছেদের প্রথা বাতিল হয়ে গিয়েছে। বিয়ের বয়স এবং সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিয়ে এখনও বিভিন্ন ধর্মীয় এবং সামাজির গোষ্ঠীর মধ্যে ফারাক আছে।
উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকার গত বছর অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার শক্রুঘ্ন সিংহকে চেয়ারম্যান করে একটি গঠন করেছিল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বলবৎ করার উপায় বাতলে দিতে। কমিটি তিন মাস আগে খসড়া রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। সোমবার তারা রিপোর্ট চূড়ান্ত বলে ঘোষণা করে জানিয়েছে, দিন কয়েকের মধ্যে সেটি মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।
কমিটির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাম্য দূর করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট আইনে। প্রতিটি বিয়ে রেজিস্টি নিশ্চিত করতে গ্রাম পঞ্চায়েতের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করার সুপারিশ করা হয়েছে। পঞ্চায়েত এখন জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের কাজ করে।