
নাসরাল্লার ছবি নিয়ে বিক্ষোভ লেবাননে।
শেষ আপডেট: 4 October 2024 11:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লেবাননের হিজবুল্লা প্রধান হাসান নাসরাল্লাকে কবর দেওয়া হবে শুক্রবার। আর ঠিক সেই সময়ের আগে-পরে ইজরায়েলের ব্যাপক হামলা চালানোর আশঙ্কা রয়েছে। হিজবুল্লা প্রধানকে কবরস্থ করা নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরেই কানাঘুষো চলছে। সূত্রের খবর, শুক্রবার দুপুরে জঙ্গি নেতা নাসরাল্লার জনাজা নামাজ অর্থাৎ শেষ প্রার্থনা হবে। এবং তারপর ইরাকের কারবালায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
ইজরায়েলি বিমানহানায় নাসরাল্লার মৃত্যু হয়েছিল গত সপ্তাহে। কিন্তু এখনও তাঁকে কবরস্থ করা হয়নি। এদিন ইরাকের কারবালায় নাসরাল্লাকে সমাধিস্থ করার আগে লেবানন থেকে বিশাল শেষযাত্রা বেরবে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, হিজবুল্লা প্রধানের শেষ প্রার্থনায় খুব বিরাট আয়োজন করা হচ্ছে না। কারণ, লেবাননি হিজবুল্লা গোষ্ঠীর আশঙ্কা ইজরায়েল এই সময়ে হানাদারি চালাতে পারে।
ইরানের তরফে তাদের বিদেশমন্ত্রী বেইরুটে শেষ প্রার্থনা অংশ নেবেন। আসলে নাসরাল্লার শেষকৃত্যের নামাজ কিছুটা প্রতীকী হিসেবেই সেরে ফেলা হবে। নাসরাল্লাকে সমাধিস্থ করার জন্য তিনটি জায়গার নাম শোনা যাচ্ছে, শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটি খুবই গোপন রাখা হয়েছে। শোনা যাচ্ছে লেবাননেই কবর দেওয়া হবে। কারও মতে ইরাকের কারবালা অথবা ইরানের নাজাফ-এ গোর দেওয়া হবে হাসান নাসরাল্লাকে।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানিয়েছেন, নাসরাল্লাকে কারবালায় ইমাম হুসেনের পাশে সমাধিস্থ করা হবে। দক্ষিণ বাগদাদের কারবালায় মহম্মদের নাতি হুসেনের কবর রয়েছে। কারবালাকে পৃথিবীর জন্নাত বলা হয়। শিয়া মুসলিমদের কাছে এখানে সমাধিস্থ হওয়ার থেকে বড় সম্মানের আর কিছু হয় না। আবার নাজাফের কথাও ভাবা হচ্ছে কারণ আটের দশকে ইরানের এই শহরে নাসরাল্লা পড়াশোনা করেছিলেন। নাসরাল্লার প্রতি সম্মান ও আত্মত্যাগের প্রতি মর্যাদা দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
ইরান ইন্টারন্যাশনালের খবর হচ্ছে, দেশের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লা খামেইনি পাঁচবছর পর কোনও জনাজা নামাজের নেতৃত্ব দিতে পারেন। তেহরানের মেট্রো এবং বাস কোম্পানিগুলি শেষযাত্রা ও প্রার্থনায় অংশ নিতে যাওয়া লোকজনকে বিনামূল্যে পরিবহণ সুবিধা দেবে।