Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

৪৪ বছরের বিয়ে ভাঙল ৭০-এর কৃষকের, ৩ কোটি টাকা খোরপোষ দিতে বেচলেন জমি-গয়না

১৯৮০ সালে বিয়ে হয়েছিল সুভাষ এবং সন্তোষ কুমারীর। তবে ২০০৬ সালে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা শুরু হয়।

৪৪ বছরের বিয়ে ভাঙল ৭০-এর কৃষকের, ৩ কোটি টাকা খোরপোষ দিতে বেচলেন জমি-গয়না

প্রতীকী ছবি

শেষ আপডেট: 17 December 2024 19:28

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৮ বছর ধরে চলছিল লড়াই। শেষমেশ ৪৪ বছরের বিয়ে ভাঙল ৭০-এর বৃদ্ধের। তবে শুধু ডিভোর্স হল না, স্ত্রীকে খোরপোষ দিতে গিয়ে নিজের জমি, সোনা সবই বিক্রি করতে হল তাঁকে। হরিয়ানার সুভাষ চন্দের এই ঘটনা নিয়ে এখন সর্বত্র আলোচনা। 

১৯৮০ সালে বিয়ে হয়েছিল সুভাষ এবং সন্তোষ কুমারীর। তবে ২০০৬ সালে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা শুরু হয়। তারপর থেকে কেটে গেছে ১৮ বছর। এতদিন ধরে সেই মামলা চলার পর ডিভোর্স হয়েছে তাঁদের। তবে আদালতের নির্দেশে সুভাষকে তাঁর স্ত্রীকে ৩.১ কোটি টাকা খোরপোষ দিতে হবে! এই কারণে নিজের জমি, শষ্য এবং ৪০ লক্ষ টাকার সোনাদানা সব বিক্রি করতে হয়েছে তাঁকে।

সুভাষ এবং সন্তোষ কুমারীর চার সন্তান ছিল। তবে পরে একজনের মৃত্যু হয়। ২০০৬ সালে দুজনের মধ্যে দুরত্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছয়। তারপর থেকেই তাঁরা আলাদা থাকতে শুরু করেন। অবশেষে মানসিক অত্যাচারের অভিযোগ তুলে সুভাষ নিজে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেন। ২০১৩ সালে অবশ্য কারনাল ফ্যামিলি কোর্ট তাঁর আর্জি খারিজ করে দেয়। পরে সুভাষ পঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাইকোর্ট আবেদন করেন। সেখানেই গত ১১ বছর ধরে মামলা চলছিল।

ডিভোর্স সেলেটমেন্ট অনুযায়ী, সুভাষের স্ত্রী এবং সন্তানরা ভবিষ্যতে আর কোনও দাবি করতে পারবেন না তাঁর কাছে। এমনকী সুভাষের মৃত্যুর পরও তাঁর কোনও সম্পত্তিতে তাঁদের অধিকার থাকবে না। দুই পক্ষ এই বিষয়টিতে সম্মত হওয়ায় আদালতে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছে। 


```