
গ্রেফতার ভুয়ো চিকিৎসক
শেষ আপডেট: 21 April 2025 16:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রোগীর মৃত্যুর ১৯ বছর পর সামনে এল চিকিৎসকের 'ভুয়ো' পরিচয়! অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে (Fake Cardiologist arrested)। ছত্তীসগড় বিধানসভার প্রাক্তন স্পিকারের মৃত্যুর ঘটনায় নয়া মোড় ঘিরে চাঞ্চল্য।
২০০৬ সালে বিলাসপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় কোটার প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক তথা প্রাক্তন স্পিকার রাজেন্দ্র প্রসাদ শুক্লার। সম্প্রতি তাঁর পুত্র প্রদীপ শুক্লা ওই বেসরকারি হাসপাতাল এবং ভুয়ো চিকিৎসক নরেন্দ্র যাদব ওরফে নরেন্দ্র জন ক্যামের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন থানায়। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে (Fake Cardiologist arrested)। ধৃত নরেন্দ্র যাদব ও হাসপাতালটির বিরুদ্ধে হত্যা, প্রতারণা সহ একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিজেকে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিতেন নরেন্দ্র যাদব। মধ্যপ্রদেশের এক হাসপাতালে সাত রোগীর অস্ত্রোপচার করেছিলেন ওই 'ভুয়ো' চিকিৎসক। পরে তাঁদের মৃত্যু হয়। রাজেন্দ্র প্রসাদ শুক্লাকে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তাঁরও অস্ত্রোপচার করেন অভিযুক্ত।
মৃতের ছেলের অভিযোগ, 'নরেন্দ্র যাদব আমার বাবার অস্ত্রোপচার করেছিল। এরপর তাঁকে ১৮ দিন ভেন্টিলেটরে রাখতে হয়। ২০০৬ সালের ২০ আগস্ট বাবা মারা যান। বাবার চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তৎকালীন রাজ্য সরকারের থেকে ২০ লক্ষ টাকা নিয়েছিল।'
সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের দামোর মিশন হাসপাতাল থেকে চুরি যাওয়া ইকো মেশিনের তল্লাশি করতেই পুলিশের হাতে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, নরেন্দ্র যাদব মেশিনটি চুরি করেছেন। এরপরই জানা যায় ওই চিকিৎসক, ডা. এন জন কাম (প্রকৃত নাম নরেন্দ্র যাদব), তাঁর সমস্ত ডিগ্রিই ভুয়ো৷ সবার কাছে নিজের পরিচয় দিতেন লন্ডন-ফেরত কার্ডিওলজিস্ট হিসেবে। দেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে লেখাপড়া করেছেন বলেও দাবি করতেন। কিন্তু যাচাই-জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, তাঁর সমস্ত ডিগ্রি ভুয়ো।
দামোর হাসপাতালের এই ঘটনা নজরে আসে প্রদীপ শুক্লার। এরপরই তিনি নরেন্দ্র ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।