Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

বিষাক্ত মিশ্রণ দিয়ে তৈরি অ্যান্টিবায়োটিক পাঠানো হচ্ছিল সরকারি হাসপাতালে! পিছনে বড় চক্র

বিষাক্ত মিশ্রণ দিয়ে তৈরি হচ্ছিল 'অ্যান্টিবায়োটিক'! তারপর সেই ‘ওষুধ’ পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল একাধিক রাজ্যে।

বিষাক্ত মিশ্রণ দিয়ে তৈরি অ্যান্টিবায়োটিক পাঠানো হচ্ছিল সরকারি হাসপাতালে! পিছনে বড় চক্র

প্রতীকী ছবি

শেষ আপডেট: 25 September 2024 11:43

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কিছু একটা হলেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার অভ্যাস আছে অনেকেরই। কিন্তু যে ওষুধ খাচ্ছেন তা আসল তো? বিষয়টি ভাল করে না জেনে কখনই ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবায়োটিকে মেশানো হচ্ছে বিষাক্ত জিনিস। তাই বিক্রি হচ্ছে দেশের একাধিক রাজ্যে। সেসব ওষুধ অজান্তেই খাচ্ছেন মানুষ।

সম্প্রতি জানা গেছে, হরিদ্বারের এক পশু-ওষুধের ল‌্যাবরেটরিতে গায়ে মাখার সস্তা পাউডার আর স্টার্চের বিষাক্ত মিশ্রণ দিয়ে তৈরি হচ্ছিল 'অ্যান্টিবায়োটিক'! তারপর সেই ‘ওষুধ’ পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্রের মতো একাধিক রাজ্যে। এইসব জায়গার সরকারি হাসপাতালে তা ব্যবহার করাও হচ্ছিল।

তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, হাওয়ালা চক্রের মাধ‌্যমে মুম্বই থেকে উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে আসত কোটি কোটি টাকা। সেই টাকা দিয়েই এই ওষুধ ব্যবহারের 'পারমিট' নিয়ে নিত অসাধু চক্রের সঙ্গে যুক্তরা।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সর্বপ্রথম এই বিষয়টি সামনে আসে ফুড অ‌্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ইনস্পেক্টর ভাণ্ডারকরের হাত ধরে। তিনি জানতে পেরেছিলেন নাগপুরের কলমেশ্বরের এক গ্রামীণ হাসপাতালে ভুয়ো অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। তারপরই তিনি ওষুধ সরবরাহকারী এবং বণ্টনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর কিছু সময়ের জন্য এই ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেলেও আবার তার রমরমা শুরু হয়েছে বিগত কয়েক মাসে। 

বিভিন্ন সূত্র থেকে একাধিক তথ্য সংগ্রহ করার পর চলতি মাসেই ১,২০০ পৃষ্ঠার চার্জশিট জমা দিয়েছে নাগপুর পুলিশ। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, বড় একটি চক্রের মাধ্যমেই এই ভুয়ো ওষুধ দেশের নানা রাজ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সরকারি হাসপাতাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন ওষুধের দোকানেও তা যাচ্ছে।

ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর হরিদ্বারের ওই পশু-ওষুধের ল‌্যাবরেটরির মালিক আগে থেকেই জেলবন্দি।  


```