প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়কে (Jagdeep Dhankhar) দিল্লির এইমসে (All India Institute of Medical Sciences) ভর্তি করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, গত ১০ জানুয়ারি তিনি পরপর দু’বার অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ঘটনার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করে একাধিক পরীক্ষা করা হচ্ছে।

প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়।
শেষ আপডেট: 12 January 2026 20:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়কে (Jagdeep Dhankhar) দিল্লির এইমসে (All India Institute of Medical Sciences) ভর্তি করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, গত ১০ জানুয়ারি তিনি পরপর দু’বার অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ঘটনার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করে একাধিক পরীক্ষা করা হচ্ছে।
৭৪ বছর বয়সি ধনখড় সোমবার নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য এইমসে গিয়েছিলেন। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে ভর্তি থাকার পরামর্শ দেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর এমআরআই (MRI) করানো হবে। তার আগে তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
কী হয়েছিল ১০ জানুয়ারি
সূত্রের দাবি, ওই দিন শৌচালয়ে যাওয়ার সময় ধনখড় দু’বার অজ্ঞান হয়ে পড়েন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। এক আধিকারিক সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানান, পরীক্ষার স্বার্থেই তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে।
আগেও স্বাস্থ্য সমস্যা
এটাই প্রথম নয়। অতীতেও একাধিকবার প্রকাশ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ধনখড়। উপরাষ্ট্রপতি থাকাকালীন বিভিন্ন কর্মসূচিতে—রান অফ কচ্ছ, উত্তরাখণ্ড, কেরল ও দিল্লিতে—হঠাৎ অসুস্থতার খবর সামনে এসেছিল বলে সরকারি সূত্রে জানা যায়।
তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রে বলা হচ্ছে, প্রাক্তন উপ রাষ্ট্রপতির বার্ধক্যজনিত কিছু সমস্যা ছিলই। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল থাকাকালীন তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাও শুরু করেছিলেন। সেই সময়ে তাঁর চিকিৎসক প্রয়াত বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ডাঃ ভোলানাথ চক্রবর্তীর ছেলে ডাঃ রথীন চক্রবর্তী। অনেকে মনে করেন, ধনখড়ই রথীন চক্রবর্তীকে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আনার ব্যাপারে অনুঘটকের কাজ করেছিলেন। তবে সে ভিন্ন প্রসঙ্গ।
স্বাস্থ্যের কারণ দেখিয়ে ইস্তফা
গত বছরের ২১ জুলাই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন জগদীপ ধনখড়। সংসদের প্রথম দিনেই তাঁর আকস্মিক পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তৈরি হয়েছিল।
এইমসে ভর্তি থাকার সময়ে ধনখড়ের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।