
উদ্ধার হওয়া টাকা - এক্স হ্যান্ডেল (ইডি)
শেষ আপডেট: 18 November 2024 19:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লটারির বেআইনি টাকার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ সহ মোট ৬ রাজ্যে হানা দিয়ে এখনও পর্যন্ত ১২ কোটি টাকার বেশি উদ্ধার করেছে ইডি। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই তথ্যই দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ৬টি রাজ্যের মোট ২২টি জায়গায় অভিযান চালিয়েছিল ইডি। সেই অভিযানেই উদ্ধার হয়েছে এই বিপুল অর্থ।
পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, উত্তরপ্রদেশ, মেঘালয় এবং পঞ্জাবে লটারি দুর্নীতির ইস্যুতে অভিযান চালিয়েছিল ইডি। সেই অভিযানে এখনও পর্যন্ত ১২.৪৭ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া ৬.৪২ কোটি টাকা মূল্যের ফিক্সড ডিপোজিটও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা। তবে কোন রাজ্য থেকে ঠিক কত পরিমাণ টাকা পাওয়া গেছে সেই তথ্য মেলেনি।
ED has conducted search operations at 22 premises in the States of Tamil Nadu, West Bengal, Karnataka, Uttar Pradesh, Meghalaya and Punjab under the provisions of PMLA, 2002 in connection with investigation against Santiago Martin and his entity M/s Future Gaming and Hotel… pic.twitter.com/QETk5MgYXK
— ED (@dir_ed) November 18, 2024
২০০২ সালের আর্থিক তছরুপ বিরোধী আইনের ধারায় সান্তিয়াগো মার্টিন ও তাঁর সংস্থা ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে ইডি। সেই প্রেক্ষিতেই এই তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা। নগদ টাকা ছাড়াও বিভিন্ন নথি হাতে এসেছে ইডির বলে জানানো হয়েছে।
গত ১৫ নভেম্বর কলকাতায় কার্যত ফের টাকার পাহাড় উদ্ধার হয়। কলকাতা-চেন্নাইয়ের ২০ জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। প্রায় ৯ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়। লটারির টিকিট বিক্রি করেও সেই টিকিট নম্বরে লটারি না করিয়ে সম্পূর্ণ অন্য সিরিয়াল নম্বরের টিকিটের মাধ্যমে প্রভাবশালীদের টাকা পাইয়ে দেওয়া-সহ অজস্র আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করছে ইডি। দাবি করা হচ্ছে এই দুর্নীতির অঙ্ক অন্তত ৬০ হাজার কোটি!
বস্তুত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নির্বাচন কমিশন ২০২৪ সালে যে তথ্য প্রকাশ করে তাতে ফিউচার গেমিং নামে একটি গোষ্ঠীকে নির্বাচনী বন্ডে সব থেকে বেশি চাঁদা দেওয়ার তথ্য উঠে আসে। আদতে কেরলের কোচি শহরের বাসিন্দা সান্তিয়াগো মার্টিন নামে এক পেপার লটারি ব্যবসায়ীর সংস্থা ওই ফিউচার গেমিং। এই রাজ্য এবং রাজ্যের বাইরে মার্টিন ও তার ঘনিষ্ঠদের প্রায় ২০টি ঠিকানায় তেড়েফুঁড়ে অভিযানে নামে ইডি।