.jpeg)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 31 January 2025 16:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সপ্তাহে ৬০ ঘণ্টার বেশি কাজের চাপ স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। বেশ কিছু সমীক্ষা যেখানে দীর্ঘ সময় ধরে কাজের বিষয়ে সাবধান করে দেওয়া হয়েছে, তার দৃষ্টান্ত টেনে শুক্রবার আর্থিক সমীক্ষায় কর্মক্ষেত্র ও ব্যক্তিগত জীবনে ভারসাম্য রাখার গুরুত্ব টানা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দেশে সাপ্তাহিক কাজের ঘণ্টা নিয়ে জোর বিতর্ক চলছে। ইনফোসিস কর্তা নারায়ণ মূর্তি থেকে এল অ্যান্ড টি-র চেয়ারম্যানের ৭০-৯০ ঘণ্টা কাজের নিদান নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা, পাল্টা যুক্তি শুরু হয়েছে।
সমীক্ষা অনুসারে কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময় কাজ করলে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে পারে। যাঁরা ১২ ঘণ্টা অথবা তার বেশি কর্মস্থলে থাকেন তাঁদের নিদারুণ হতাশা জন্মাতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠনের সমীক্ষা রিপোর্ট উল্লেখ করে আর্থিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, সপ্তাহে ৫৫-৬০ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি পর্যন্ত ঘটতে পারে।
শুক্রবার বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনই ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের আর্থিক সমীক্ষা পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। যাতে চলতি আর্থিক বছরের গতিপ্রকৃতি এবং আগামী বছরের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ থাকে। এবারের আর্থিক সমীক্ষায় দেশে আগামী বছরের গড় জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে ৬.৩ শতাংশ থেকে ৬.৮ শতাংশের মধ্যে। বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গিও আগামী বছরে ধোঁয়াশাচ্ছন্ন থাকার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে আর্থিক সমীক্ষা। সেই সঙ্গে খুচরো বাজারের মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে চলবে।
আর্থিক সমীক্ষা বলছে, দেশের সার্ভিসেস বাণিজ্যের বৃদ্ধি সর্বমোট বাণিজ্য হিসাবে ভারসাম্য রাখতে সহায়তা করেছে। দেশের সার্ভিসেস রফতানি বাণিজ্যে বৃদ্ধি বিশ্বে সপ্তম বৃহৎ দেশে পরিণত করেছে। সমীক্ষায় আরও প্রকাশ যে, নির্মাণ লক্ষ্যণীয়ভাবে স্বতন্ত্র হয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে ২০২১ অর্থবর্ষের মাঝামাঝি থেকে। অতিমারির আগে থেকে পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং আবাসনের চাহিদা বহু গুণে বেড়েছে।
প্রধান প্রধান পরিকাঠামো ক্ষেত্রে সরকারি মূলধনী ব্যয় গত পাঁচ বছরে বহু গুণে বেড়েছে বলে জানিয়েছে আর্থিক সমীক্ষা। ২০২০-২০২৪ সালের মধ্যে মূলধনী ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা ৩৮.৮ শতাংশ বলে জানানো হয়েছে সমীক্ষায়। এতে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ব শেয়ার বাজারের তালিকায় ভারতের শেয়ার বৃদ্ধি ঘটেছে ৩০ শতাংশ। ২০২৩ সালে যা ছিল মাত্র ১৭ শতাংশ। আর্থিক সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, এপ্রিল-ডিসেম্বরের মধ্যে জল জীবন মিশনের আওতায় ৫৮৫৩ কিমি জাতীয় সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। ১২ কোটির বেশি মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধায় পাইপবাহিত জল পাচ্ছেন।