
শেষ আপডেট: 16 January 2024 19:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতায় এখন দু-তিন ধরে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। এ হল সূর্যের উত্তরায়ণ কালে উত্তুরে হাওয়ার জাদু। অর্থাৎ পৌষের শেষে মকরের কামড়! কিন্তু তাও দিল্লি, আগ্রা, কানপুর কী যা তা অবস্থা তা এখানে বসে ঠাওর করা যাবে না। একে তো শৈত্য প্রবাহ চলছে। তার উপর কুয়াশার ঘন চাদর এমন ভাবে বিছিয়ে রয়েছে যে দিল্লি থেকে কলকাতায় আসার ট্রেনগুলো বা এখান থেকে দিল্লি-কানপুরে যাওয়ার ট্রেনের ভয়ঙ্কর দুর্দশা। যাত্রীদের দুর্ভোগের শেষ নেই।
রবিবার দিল্লি থেকে যে শিয়ালদহ রাজধানী ছেড়েছিল তা ২০ ঘণ্টা লেট করে কলকাতায় পৌঁছেছে মঙ্গলবার সকালে। শিয়ালদহ স্টেশনে সোমবার সকাল ১০টায় পৌঁছনোর কথা ছিল। অথচ পৌঁছেছে মঙ্গলবার সকাল ৬টার পর।
আর সোমবার দিল্লি থেকে যে হাওড়া ও শিয়ালদহ রাজধানী ছেড়েছে, সে দুটির ছেড়ে দে মা অবস্থা। এরই মধ্যে ১৪ ঘণ্টা লেটে চলছে। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় মোগলসরাইয়ে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার মাঝ রাত পার করে সেই ট্রেন শিয়ালদহে ঢুকতে পারে আরও লেট করে বুধবার ভোরে পৌঁছতে পারে।
আবার মঙ্গলবার বিকেলে নয়াদিল্লি স্টেশন থেকে যে শিয়ালদহ রাজধানী ছাড়ার কথা ছিল, তা এদিন ছাড়বেই না। ওই ট্রেন ছা়ড়তে পারে বুধবার ভোর রাতে।
হাওড়ার রাজধানীর তথৈ বচ অবস্থা। রবিবার দিল্লি থেকে ছেড়ে আসা কলকাতা রাজধানী লেট ছিল সাড়ে ১৮ ঘণ্টা। মঙ্গলবারের ট্রেন ইতিমধ্যে প্রায় ৯ ঘণ্টা লেট রয়েছে।
একই ভাবে কলকাতা থেকে দিল্লি তথা উত্তর ভারতের উদ্দেশে যাওয়া ট্রেনগুলি গয়া, মোগলসরাইয়ে পর থেকেই ধিক ধিক করে গড়াতে শুরু করছে। কখনও ঘণ্টার পর ঘণ্টা থেমে থাকছে ঘন কুয়াশার কারণে। এই ট্রেনগুলিও কমবেশি ৮-৯ ঘণ্টা করে দেরিতে চলছে।
সব মিলিয়ে পূর্ব রেলের উত্তর ভারতগামী যাত্রীদের এখন নাজেহাল অবস্থা। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় যাতায়াত করলে তবু রক্ষে আছে। সাধারণ কামরায় যাত্রা করলে এই বিলম্বিত যাত্রার সঙ্গে কাঁটার মতো বিঁধছে শীত। তাতে জেরবার অবস্থা প্রবীণ নাগরিক ও শিশুদের।