Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ডিগ্রিহীন সরকারি ডাক্তারের ৪৪টি চক্ষু অস্ত্রোপচার, নিয়োগ করেছিল হরিয়ানা সরকার

এই ঘটনা জানাজানি হতেই রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর তাঁর অস্ত্রোপচার করা বন্ধ করে দিয়েছে।

ডিগ্রিহীন সরকারি ডাক্তারের ৪৪টি চক্ষু অস্ত্রোপচার, নিয়োগ করেছিল হরিয়ানা সরকার

প্রতীকী ছবি

শেষ আপডেট: 22 November 2024 15:18

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি হাসপাতালে ৪৪টি চক্ষু অস্ত্রোপচার। কিন্তু, ডাক্তার নন! এমনই পিলে চমকে দেওয়া সত্য উদ্ঘাটন হল হরিয়ানার হিসারে। মেডিক্যাল ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও ডাক্তারের ঘাটতি থাকায় চক্ষু সার্জন হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল ডাঃ বিজয়কে। নয়নয় করে ৪৪টি চোখের অপারেশন করে ফেলেছেন তিনি।

ঘটনাটি ঘটেছে হিসার সিভিল হাসপাতালে। পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে, কারণ তিনি পরীক্ষাতেই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এই ঘটনা জানাজানি হতেই রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর তাঁর অস্ত্রোপচার করা বন্ধ করে দিয়েছে।

হরিয়ানার হিসার সিভিল হাসপাতাল চক্ষু চিকিৎসার জন্য বিখ্যাত। বছরে এই হাসপাতালে হাজারের বেশি অস্ত্রোপচার হয়ে থাকে। অযোগ্য ডাক্তারের বিষয়টি জানাজানি হতেই নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্য দফতর। জানাজানির কারণ হল, এ বছরের ১১ মাসে মাত্র ৭১টি অস্ত্রোপচার হয়েছে। আর তাতেই টনক নড়ে সরকারের। যে হাসপাতালে এক বছরে হাজারের বেশি চোখ অপারেশন হয়, সেখানে ১১ মাসে কেন ৭১টি হল তা জানতে শুরু হয় খোঁজখবর।

তাতে জানা যায়, গত চার মাসে এই হাসপাতালে কোনও অস্ত্রোপচার হয়ইনি। সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য দফতরই কর্মী সংকট মেটাতে ডাঃ বিজয়কে চক্ষু সার্জন হিসাবে নিয়োগ দিয়েছিল। এটা জানা সত্ত্বেও যে তা উপযুক্ত যোগ্যতা নেই। পরে ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ফর কন্ট্রোল অফ ব্লাইন্ডনেসের ডেপুটি ডিরেক্টর এ বিষয়ে পদক্ষেপ করেন। তাঁর নির্দেশেই ডাঃ বিজয়ের অস্ত্রোপচারের ডিউটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু যতক্ষণে এসব নির্দেশ চালাচালি হয়েছে, ততদিনে তিনি ৪৪টি চোখের অপারেশন করে ফেলেছেন।

জানা গিয়েছে, হিসারের হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে কর্মী সংকটে ভুগছে। এখানে উপযুক্ত আই সার্জন নেই অনেকদিন ধরেই। একসময় তিনজন চক্ষু সার্জন ইস্তফা দিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে যোগ দেন। ফলে তড়িঘড়ি কর্মী সংকট ঠেকাতে ডাঃ বিজয়কে নিয়োগ দেয় স্বাস্থ্য দফতর। তিনি তখনও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স সম্পূর্ণ করেননি।

দেখা গিয়েছে, গত এপ্রিল মাস থেকে জুলাই পর্যন্ত বিজয়ের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ জ্যোতি ৪৪টি অপারেশন করেছেন। সেখানে ডাঃ বিজয় করেছেন ৪৪টি। জ্যোতির পদোন্নতি ও বদলি হয়ে যাওয়ার পর বিজয়কে বিভাগের দায়িত্বও দেওয়া হয়। এরপরেই পদক্ষেপ করে এনপিসিবি। বিজয়কে ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।


```