
বিলাসবহুল ক্যাসিনো
শেষ আপডেট: 5 November 2024 15:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। সাইবার প্রতারণার নতুন ফাঁদ নিয়ে চিন্তা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না কেন্দ্রের। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক প্রতারণা রুখতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করলেও লাভের লাভ কিছুই হচ্ছে না। উল্টে দেশ ছাড়িয়ে বিদেশ পর্যন্ত এর শিকড় বিস্তৃত বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
সূত্রের খবর, এই প্রতারণা চক্র মূলত কম্বোডিয়া, মায়ানমার, ভিয়েতনাম, লাওস ও থাইল্যান্ড থেকে পরিচালিত হয়। সোমবার এক সংবাদমাধ্যম সেই সত্যতা যাচাই করে একটি ভিডিও সামনে এনেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে কম্বোডিয়ার এক অফিসের ছবি। যেখানে বসেই লক্ষ লক্ষ মানুষকে ঠকানোর কাজ চলে।
তবে তা যে সে অফিস নয়। একেবারে ক্যাসিনোর স্টাইলে সাজানো। সেখানে যেমন রয়েছে একসঙ্গে অনেকজনের বসার জায়গা, ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির হাজারো ডিভাইস। যা দেখে মাথায় হাত দেশবাসীর। সেখান থেকেই জালিয়াতি চক্র পরিচালনা করছে তারা।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলে ২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকেরা। সে পরিমাণ প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে। তবে দেশীয় একাধিক ভুয়ো সংস্থাও এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে সন্দেহ ইডির।
সম্প্রতি অনলাইনে আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত একটি মামলায় বেঙ্গালুরুর এক নিম্ন আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। ইতিমধ্যে আট জনকে গ্রেফতারও করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, হংকং এবং থাইল্যান্ড থেকে প্রতারণা চক্রের মাথারা এই জালিয়াতি চালাচ্ছে। ভারতেও তাদের দলের কিছু লোকজন রয়েছে। তাদের সাহায্য নিয়েই চলছে প্রতারণার কারবার।