প্রায় এক সপ্তাহ ধরে দেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি বিমান সংস্থা ইন্ডিগো ব্যাপক সমালোচনায় (IndiGo flight crisis)। বিপর্যয়ের জেরে প্রতিদিন শতাধিক বিমান বাতিল হওয়ায় চাপে পড়েছে কেন্দ্র-ও।
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স- দ্য ওয়াল
শেষ আপডেট: 10 December 2025 16:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইন্ডিগো বিভ্রাটে ভোগান্তি অব্যাহত (IndiGo flight crisis)। বুধবারও বহু যাত্রী বিমানবন্দরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে সমস্যার মুখে পড়েছেন। উড়ান বাতিলের সংখ্যা কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এই অবস্থায় কঠোর পদক্ষেপ নিল দেশের বিমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ (DGCA summons IndiGo CEO)। ইন্ডিগোর সিইও পিটার এলবার্সকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তাঁর কাছে সব নথি-সহ ব্যাখ্যা চেয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ডিজিসিএ-র তলব ইন্ডিগো সিইওকে
সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১১ ডিসেম্বর দুপুরে পিটার এলবার্সকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে ডিজিসিএ-র দফতরে (Directorate General of Civil Aviation)। এত সংখ্যায় বিমান বাতিলের কারণ, যাত্রীদের অসুবিধা এবং সংস্থা কী ব্যবস্থা নিয়েছে- সবকিছু নিয়ে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ইন্ডিগোর শীর্ষ কর্তারাও উপস্থিত থাকতে পারেন।
এদিকে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী (Minister of Civil Aviation of India) কে. রামমোহন নায়ডু ডিজিসিএ-র ভূমিকাকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, শুধু ইন্ডিগো নয়, ডিজিসিএ-র কাজকর্মও তদন্তের আওতায় আনতে হবে। প্রয়োজনে ইন্ডিগোর সিইও-কে বরখাস্তের নির্দেশও দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রের এই চাপের পরই ডিজিসিএ আরও সক্রিয় হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
১১টি বিমানবন্দরে হঠাৎ পরিদর্শন
যাত্রীদের ভোগান্তির ছবি নজরে আসায় বুধবার ডিজিসিএ নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। দেশের ১১টি বিমানবন্দরে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে তাদের আধিকারিকদের। যে বিমানবন্দরগুলি পরিদর্শন করা হবে, সেগুলি হল-
দু-তিন দিনের মধ্যে এই পরিদর্শন শেষ করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
কী কী খতিয়ে দেখবে ডিজিসিএ?
অধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—
প্রায় এক সপ্তাহ ধরে দেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি বিমান সংস্থা ইন্ডিগো ব্যাপক সমালোচনায় (IndiGo flight crisis)। বিপর্যয়ের জেরে প্রতিদিন শতাধিক বিমান বাতিল হওয়ায় চাপে পড়েছে কেন্দ্র-ও। পরিস্থিতি বোঝার জন্য উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং শনিবার ডিজিসিএ ইন্ডিগোকে শো-কজ নোটিস পাঠায়। সোমবার সন্ধ্যায় সংস্থাটি সেই নোটিসের জবাব দেয়। কিন্তু তদন্ত কমিটি মনে করেছে, ইন্ডিগো (IndiGo) বিষয়টির গুরুত্ব ঠিকভাবে বোঝাতে পারেনি এবং তাদের দেওয়া জবাব যথেষ্ট নয়।
এরপরই মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সংস্থার সিইও (Pieter Elbers) জানান, অপারেশন এখন স্থিতিশীল এবং সংস্থার পরিষেবা ধীরে ধীরে আগের গতিতে ফিরে এসছে। যাত্রীদের অসুবিধার জন্য ফের একবার ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি। এলবার্স বলেন, “আমাদের তরফেই পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটেছিল - তার দায় স্বীকার করছি। কিন্তু এখন ইন্ডিগো আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আপনাদের ধৈর্য ও আস্থার জন্য ধন্যবাদ।”