Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশু

মকর সংক্রান্তিতে মহাকুম্ভে অমৃতস্নান আড়াই কোটি ভক্তের, মৃত্যু বৃদ্ধ সন্ন্যাসীর

মঙ্গলবার সকালে প্রথম নাগা সন্ন্যাসীদের স্নান দিয়ে শুরু হয় ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেওয়ার পালা।

মকর সংক্রান্তিতে মহাকুম্ভে অমৃতস্নান আড়াই কোটি ভক্তের, মৃত্যু বৃদ্ধ সন্ন্যাসীর

শেষ আপডেট: 14 January 2025 16:28

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মকর সংক্রান্তিতে দুপুর পর্যন্ত আনুমানিক ২ কোটি পুণ্যার্থী পুণ্যস্নান সারলেন। উত্তরপ্রদেশের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (স্বরাষ্ট্র) এ তথ্য জানিয়েছেন। মহাকুম্ভের দ্বিতীয় দিন পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তিতে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় আড়াই কোটি ভক্ত ডুব দেবেন বলে সরকারিভাবে অনুমান। অর্জুন গিরি নামে ৮৫ বছরের এক বৃদ্ধ সন্ন্যাসী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। এছাড়াও প্রায় ৩০০০ লোক প্রবল ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা করতে হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে প্রথম নাগা সন্ন্যাসীদের স্নান দিয়ে শুরু হয় ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেওয়ার পালা। স্নানের সময় হেলিকপ্টার থেকে সাধুসন্তদের উপর পুষ্পবৃষ্টি করা হয়। এই উপলক্ষে জুনা আখড়ার আচার্য মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী অবধেশানন্দ বলেন, ভারতের মঙ্গল কামনায় আজ যক্ষ, গান্ধর্ব ও কিন্নর সকলেই পবিত্র অবগাহন করলেন গঙ্গাজলে।

গোটা মেলা চত্বর গমগম করছে জয় শ্রীরাম, হর হর গঙ্গে এবং ব্যোম ব্যোম ভোলে গর্জনে। অমৃতস্নানের আগে নাগা সন্ন্যাসীরা গঙ্গাকে পবিত্র ও নির্মল রাখতে তাঁদের গায়ের বিভূতি বা ভস্ম পরিষ্কার করে নেন। এদিন প্রতিটি আখড়াকে স্নানের জন্য ৪০ মিনিট করে সময় নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল পুলিশ-প্রশাসন। নাগা সন্ন্যাসীদের মিছিল দেখতে রাস্তার দুধারে লাখে লাখে ভক্ত সার বেঁধে দাঁড়িয়ে ছিলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। অমৃতস্নানের আগে এটাও কুম্ভমেলার অন্যতম দর্শনীয় বিষয়।

বিদেশ থেকে আসা শ্বেতাঙ্গ থেকে কৃষ্ণাঙ্গ ভক্তরাও অভিভূত এই বিশাল মাপের মিলনমেলা দেখে। মকর সংক্রান্তির জন্য এদিন ঘাটে ঘাটে সুনামির মতো জনস্রোত আছড়ে পড়ে। যেদিকে দুচোখ যায়, শুধু কালো কালো মানুষের মাথা ছাড়া আর কিছুই দেখা যায় না। মার্কিন, ইজরায়েলি, ফরাসি থেকে সমস্ত দেশ থেকে অগণিত মানুষ, সাংবাদিক, ফটোগ্রাফার স্মৃতিবন্দি করে নিচ্ছিলেন এই অদ্ভুত মন ভরানো দৃশ্য।

আমেরিকা থেকে আসা জেফ বললেন আমি থাকি পর্তুগালের লিসবনে। এখানে এসে আমি অবাক হয়ে গিয়েছি। সকলেই যেন সকলের বন্ধু। কোনও ভেদাভেদ নেই। কী সুন্দর এই মেলা। আর কী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। প্রতি ১৫ মিটার অন্তর ডাস্টবিন রয়েছে। ইরান থেকে আসা এক মহিলা বললেন তাঁরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ৯ জনের একটি দল এখানে এসেছেন। আমেরিকার নাগরিক পলা ভাঙা ভাঙা হিন্দিতে বললেন, আজ খুব ভালো দিন। আমাদের ভাগ্য ভালো যে, আমরা সাধুদের সঙ্গে স্নান করার সুযোগ পেয়েছি। তাঁদের সঙ্গ পেয়েছি।


```