Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

রুপোর সুতো দিয়ে সোনার জরি সেলাই করেছেন মণীশ, রামলালার বস্ত্র তৈরি হতে সময় লাগে ৪০ দিন

রেশমের কাপড়ের উপর সোনা ও রুপোর সুতো দিয়ে বুনে নানা কারুকাজ ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। সোনার জরি দিয়ে ডিজাইন করা হয়েছিল ধুতিতে।

রুপোর সুতো দিয়ে সোনার জরি সেলাই করেছেন মণীশ, রামলালার বস্ত্র তৈরি হতে সময় লাগে ৪০ দিন

শেষ আপডেট: 3 February 2024 16:49

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েথে মহা ধূমধামে। ৫১ ইঞ্চির কালো কষ্ঠিপাথরের তৈরি মূর্তির আপাদমস্তক মোড়া ছিল সোনা, রূপা, হিরে, চুনি-পান্নার গয়নায়। পরনে লাল বস্ত্রের উপরেও ছিল সোনা ও রূপোর সুতো দিয়ে কারুকাজ। সোনার জরির উপর হিরে-চুনি-পান্না বসিয়ে সেলাই করেছিলেন শিল্পীরা। রামলালার বস্ত্র তৈরির দায়িত্বে ছিলেন মণীশ ত্রিপাঠি। তিনিই জানিয়েছেন তাঁর অভিজ্ঞতার কথা।

মণীশ বলছেন, ভগবান শ্রী রামলালর বস্ত্র বলে কথা, তাতে তো অভিনবত্ব থাকতেই হবে। তাছাড়া প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন শুধু সারা ভারত নয়, গোটা বিশ্ব দেখেছে রামলালার রূপ। তাই ওই বিশেষ দিনের জন্য বস্ত্রও তৈরি হয়েছিল খুবই যত্ন সহকারে। হলুদ ধুতির উপর লাল উত্তরীয় ছিল। সবটাই মিহি রেশমের কাপড়ের উপর সোনা ও রুপোর সুতো দিয়ে বুনে নানা কারুকাজ ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। সোনার জরি দিয়ে ডিজাইন করা হয়েছিল ধুতিতে। তার উপর হিরে-চুনি-পান্না বসানো হয়েছিল। রামলালার বস্ত তৈরি হতে সময় লাগে ৪০ দিন।

রামলালার বস্ত্র তৈরি করতে একটা পয়সাও নেননি মণীশ। বলছেন, “আমি ও আমার কারিগররা একটা পয়সাও নিইনি। এই বস্ত্র আমাদের তরফ থেকে রামলালাকে উপহার দেওয়া হয়েছে।”

কৃষ্ণশিলায় তৈরি হয়েছে রামলালার বিগ্রহ। উচ্চতা ৫১ ইঞ্চি। সর্বাঙ্গে  হিরে, মুক্ত, সোনা, পান্নার নানান গয়না। প্রাণপ্রতিষ্ঠার দিন রামলালার পরনে ছিল হলুদ রঙের বেনারসি ধুতি। গায়ে লাল পট্টবস্ত্র। তাতে সোনার জরির নকশা করা। লাল পট্টবস্ত্রে সোনার সুতো দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্ম, ময়ূর। মণীশ বলছেন প্রতিটা ডিজাইনই সোনা ও রুপোর সুতো দিয়ে করা হয়েছে। দিন হিসেবে সাজ বদল হবে রামলালার। মঙ্গলবার লাল বস্ত্রে সাজানো হবে রামকে। বুধবার পোশাকের রং হবে সবুজ, বৃহস্পতিবার হলুদ, শুক্রবার হাল্কা হলুদ বা ক্রিম রঙের পোশাক, শনিবার নীল এবং রবিবার গোলাপি রঙের পোশাক পরবেন রামলালা। এইসব বস্ত্রই তৈরি করছে মণীশ। একইভাবে সোনা ও রুপোর সুতো দিয়ে কারুকাজ ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। হিরে-চুনি-পান্না বসানো হচ্ছে বস্ত্রে। মণীশ বলছেন, রামলালার ওয়ার্ডড্রোবে একেক রকম ডিজাইন ও রঙের বস্ত্র পাওয়া যাবে। প্রতিটাই আশ্চর্য সুন্দর।

কোনও বস্ত্রই মেশিনে সেলাই হচ্ছে না, সবই কারিগরদের হাতে তৈরি, বলছেন মণীশ ত্রিপাঠি। তিনি বলছেন, “কাশী থেকে কারিগর আনা হয়েছে। পাঁচ বছরের রামলালার উপযোগী নরম বস্ত্র তৈরি হচ্ছে। সিল্কের উপর সোনা ও রুপোর কাজই বেশি। সবই হাতে তৈরি নকশা। রাজা দশরথের পুত্রের জন্য রাজকীয় পোশাকই বানাচ্ছেন কারিগররা।”


```