Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

দিল্লির স্কুলে রাশিয়া থেকে হুমকি মেল পাঠিয়েছে ইসলামি জঙ্গিরা, সন্দেহ পুলিশের

ইসলামিক স্টেটের হাত, ‘sawariim@mail.ru.’ থেকে আতঙ্ক ছড়ানো হয়েছে

দিল্লির স্কুলে রাশিয়া থেকে হুমকি মেল পাঠিয়েছে ইসলামি জঙ্গিরা, সন্দেহ পুলিশের

দিল্লির স্কুলে বোমাতঙ্ক, কুকুর নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

শেষ আপডেট: 1 May 2024 16:43

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির স্কুলে বোমাতঙ্ক ছড়ানোর পিছনে কি ইসলামিক স্টেটের হাত রয়েছে? কারণ যে মেলে হুমকি পাঠানো হয়েছিল, তাতে সাওয়ারিম বলে একটি শব্দ ছিল। তা থেকেই পুলিশের সন্দেহ আতঙ্ক ছড়ানোর পিছনে ইসলামি জঙ্গিদের হাত থাকতে পারে। 'সাওয়ারিম' একটি আরবি শব্দ। যার অর্থ তলোয়ারের সংঘর্ষ। ইসলামিক স্টেট ২০১৪ সাল থেকে এই শব্দটি ব্যবহার করে আসছে। কট্টর ইসলামপন্থী প্রচারের উদ্দেশ্যেই এই শব্দটি ব্যবহার করে থাকে ইসলামিক স্টেট। বুধবার দিল্লির স্কুলে বোমাতঙ্ক ছড়ানো ই-মেলেও এই শব্দটি ছিল বলে বুধবার বিকেলে জানাল পুলিশ। সূত্রে জানা গিয়েছে, রাশিয়া থেকে আসা এই হুমকি মেল পাঠানো হয়েছে ‘sawariim@mail.ru.’ থেকে।

বুধবার ভোরে রাজধানী দিল্লির বুকে ১০০টি স্কুলে বোমার আতঙ্ক ছড়ানো ই-মেলটি আসে রাশিয়া থেকে। প্রাথমিক তদন্তে এমনটাই জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। বোমা বিস্ফোরণের খবর পেয়েই তৎক্ষণাৎ পুলিশ স্কুলগুলি খালি করে তল্লাশি চালাতে শুরু করে। কিন্তু, পরে বোঝা যায়, কোথাও কিছু নেই। পুরোটাই আতঙ্ক ছড়াতে করা হয়েছে।

এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে, একটিমাত্র আইপি অ্যাড্রেস থেকেই মেল করা হয়েছিল। এবং সেটি ছিল রুশ আন্তর্জাল ছদ্ম আইডি থেকে। এ বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত না হতে পারলেও পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লি এবং এনসিআরের স্কুলগুলি পাঠানো মেল এসেছে রাশিয়া থেকে। ছদ্ম আইডি ‘sawariim@mail.ru.’ থেকে মেলগুলি পাঠানো হয়।

ঘটনার পরপরই দিল্লি পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখা তদন্ত শুরু করে। সূত্রে জানা গিয়েছে, এ ধরনের মেল পাঠানো হয় ভিপিএন কানেকশন থেকে। যাতে প্রেরকের সঠিক আইপি অ্যাড্রেস গোপন থাকে। তবে সাইবার দল নিশ্চিত যে, অরিজিনাল প্রেরককে খুঁজে বের করা যাবে।

ঘটনার পর দিল্লি লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনা মডেল টাউনের ডিএভি স্কুল পরিদর্শনে যান। সেখানে তিনি বলেন, অপরাধীকে খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। শান্তি ভঙ্গের অপরাধে তাদের উপযুক্ত মাসুল দিতে হবে।

প্রসঙ্গত, দিল্লির প্রায় ১০০টি স্কুলে বুধবার সকালে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। হুমকি ইমেল আসতেই স্কুলগুলিতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পড়ুয়াদের সঙ্গে সঙ্গে স্কুল থেকে বের করে আনা হয়।

প্রাথমিকভাবে চাণক্যপুরীর সংস্কৃতি স্কুল, পূর্ব দিল্লির ময়ূর বিহারের মাদার মেরি স্কুল এবং দ্বারকার দিল্লি পাবলিক স্কুলে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে খবর পাওয়া যায়। বোমা মেরে স্কুল উড়িয়ে দেওয়া হবে, কর্তৃপক্ষের কাছে এমনই হুমকি ই-মেল এসেছে।

এরই মধ্যে এদিন একটি স্কুলে পরীক্ষা চলছিল। মাঝপথে পরীক্ষা থামিয়ে তড়িঘড়ি পড়ুয়াদের স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়। চলছে তল্লাশি। দিল্লি পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, প্রাথমিক তদন্ত থেকে দেখা গিয়েছে, একই মেলে একই ধাঁচের হুমকি দেওয়া হয়েছে। তদন্ত চলছে।

সকালে খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, বম্ব স্কোয়াড, দমকল বাহিনী। অভিভাবকদের স্কুল থেকে মেল পাঠিয়ে পড়ুয়াদের বাড়ি ফেরত পাঠানোর কথা জানানো হয়। এদিকে হুমকি মেলের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়়তেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অভিভাবকেরা। তবে শেষপর্যন্ত কোনও স্কুলেই বোমা খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে আর কে পুরমের দিল্লি পুলিশ স্কুলেও একই ধরনের হুমকি মেল পাঠানো হয়েছিল। গতকাল মঙ্গলবার কলকাতার রাজভবন, জাদুঘর এবং নবান্ন সহ একাধিক জায়গাতেও বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। যদিও তল্লাশি করে কোথাও কিছুই খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেগুলির সঙ্গে এই ঘটনার মিল আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


```