
শেষ আপডেট: 29 October 2023 16:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার সকালে পরপর বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে কেরলের কোচি। এই ঘটনার পিছনে জঙ্গি যোগ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এমন বিস্ফোরণের ঘটনার জেরে রাজধানী দিল্লি ও বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ের নিরাপত্তা আরও আঁটোসাঁটো করা হল।
কেরলের বিস্ফোরণের ঘটনার পরই দিল্লি ও মুম্বই পুলিশকে সর্তক করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। দিল্লির জনবহুল এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কার্যকলাপ নজরে আসা মাত্রই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই ব্যবস্থা অবলম্বন করা হয়েছে মুম্বইয়েও।
রবিবার সকালে কেরলের কালামাসেরিতে খ্রিস্টানদের ধর্মীয় সমাবেশে পরপর বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত এক জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতর সংখ্যা পঞ্চাশ ছুঁইছুঁই। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আবার আশঙ্কাজনক। তাঁদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের ছুটি বাতিল করে কাজে ফেরার অনুরোধ জানিয়েছেন। যত দ্রুত সম্ভব পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। ঘটনার পরই কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পরিস্থিতির খবর নেন তিনি।
ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই কেরল পুলিশ সিট গঠন করেছে। এই বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে এনআইএ-র হাতে। এনআইএ-র দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। কেরল পুলিশ সূত্রে খবর, হামলার জন্য ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছিল। টিফিন বক্সের মধ্যে ভরে রাখা হয়েছিল বোমাগুলি। সেগুলি ফেটেই বিস্ফোরণ ঘটে।
তদন্তকারী অফিসারদের মতে, নাশকতা ছড়াতেই এই হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা জানা না গেলেও, কোনও জঙ্গি সংগঠনের কাজ বলেই মনে করা হচ্ছে। সেই জঙ্গি সংগঠনের আরও কোনও পরিকল্পনা আছে কিনা সেটাও এখন তদন্তের বিষয়। দিল্লি ও মুম্বইয়ের শহরকে নিশানা করা হতে পারে বলেও মনে করছেন গোয়েন্দারা। তাই এই দুই শহরের নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।