
সফদরজঙ্গ এলাকায় দুপুরের সময় দৃশ্যমানতা ছিল ৪০০ মিটার।
শেষ আপডেট: 13 November 2024 11:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শীতের আবাহনীতেই রাজধানী দিল্লিতে অক্সিজেনের বিজয়া। বুধবার সকাল হতেই পরিপূর্ণ গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয়ে যায় দিল্লি, গুরুগ্রাম, নয়ডা সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। এদিন সকালে দিল্লি ও সন্নিহিত অঞ্চলে বায়ুদূষণের সূচক ছিল 'খুব খারাপ' ক্যাটেগরির।
ধোঁয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা নেমে যাওয়ায় বুধবার সকালে অন্তত সাতটি বিমান ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও বেশ কিছু বিমান দেরিতে ছাড়ছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ৬টি উড়ানকে জয়পুর এবং একটিকে লখনউয়ে পাঠাতে হয়। সকাল ৭টা পর্যন্ত বিমান ওঠানামায় খুবই বেগ পেতে হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দিল্লির বাতাসে দূষণের মাত্রা ছিল ৩১৬। কিন্তু, বুধবার ভোরের মধ্যে তা ৩৭০-এ পৌঁছে যায়। একইসঙ্গে দৃশ্যমানতা খুবই খারাপ স্তরে পৌঁছে যায়। দুপুর নাগাদ তা খানিকটা ঠিক হয়ে যায়। বাতাসের গতি খুব কম থাকায় দৃশ্যমানতা স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। সফদরজঙ্গ এলাকায় দুপুরের সময় দৃশ্যমানতা ছিল ৪০০ মিটার। তবে পাঞ্জাব-হরিয়ানার একাংশে দৃশ্যমানতা স্বাভাবিক হতে দুপুর গড়িয়ে যাবে।
এদিন সকালে কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সূচকের মাত্রা অনুযায়ী দিল্লি-এনসিআর এলাকায় খুব খারাপ আবহাওয়ার কারণে ফের একবার জনস্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই মাত্রায় দূষণ থাকলে শিশু-বৃদ্ধ সহ সাধারণ বয়সের মানুষের মধ্যেও শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
এদিন আনন্দ বিহারে দূষণ নেমে যায় ৩৯৯-এ। পাঞ্জাবিবাগ ও অশোক বিহারে তা ছিল ৩৮২ ও ৩৭৬। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই হানিকারক। দিল্লি ছাড়াও নয়ডায় দূষণের মাত্রা ছিল ৩৫৩। গাজিয়াবাদে ৩৩৯, গুরুগ্রামে ৩৪৪ এবং ফরিদাবাদে ২৬২। ফরিদাবাদের অবস্থা তুলনায় কিছুটা ভালো মনে হলেও দূষণ পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী তা ছিল খারাপ-এর থেকে নীচে।