Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

মৃতের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে! মেঘভাঙা বৃষ্টি-হড়পা বানের জোড়াফলায় বিধ্বস্ত হিমাচল

রিপোর্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি মাণ্ডি জেলায়। এখনও পর্যন্ত সেখানে ১০ জনের মৃত্যু এবং ৩৪ জন নিখোঁজের খবর মিলেছে। 

মৃতের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে! মেঘভাঙা বৃষ্টি-হড়পা বানের জোড়াফলায় বিধ্বস্ত হিমাচল

ফাইল ছবি

শেষ আপডেট: 2 July 2025 18:15

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিপর্যয় বাড়ছে হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh)। মেঘভাঙা বৃষ্টি (CloudBurst), ধস ও হড়পা বানে (Flash Flood) ইতিমধ্যে রাজ্যে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১, নিখোঁজ ২২ জন। সোমবার রাজ্যের স্টেট ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার (SEOC)-এর প্রকাশিত রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি মাণ্ডি জেলায়। এখনও পর্যন্ত সেখানে ১০ জনের মৃত্যু এবং ৩৪ জন নিখোঁজের খবর মিলেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কারণ ছিল হড়পা বান মেঘ ভাঙা বৃষ্টি। পাশাপাশি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে রাজ্যজুড়ে আহত হয়েছেন ১০৩ জন।

সরকারি হিসেব বলছে, ২০৪টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ২২টি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। ক্ষতি হয়েছে অন্তত ৮৪টি দোকান। প্রাইভেট সম্পত্তির ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮৮ লক্ষ। সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে সরকারি পরিকাঠামোয়। ক্ষতির মোট পরিমাণ প্রায় ২৮৩ কোটি ৩৯ লক্ষ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দফতরগুলি হল—পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট (PWD), জল শক্তি বিভাগ (JSV) এবং বিদ্যুৎ বিভাগ।

জেলাভিত্তিক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র

সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কাংড়া জেলায় — ১৩ জন। মাণ্ডি ও চম্বা—এই দুই জেলায় মারা গেছেন ৬ জন করে। কুলুতে মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। কিন্নৌর, শিমলা, উনা — এই তিন জেলায় মৃত্যু হয়েছে ২ থেকে ৪ জনের। সিরমৌর ও সোলানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলক কম।

শুধু ১ জুলাইয়ে রাজ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৭ জন। এর মধ্যে বিলাসপুর ও মাণ্ডিতে ১ জন করে, কুলুতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন এবং চম্বায় আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

জুনেই সর্বাধিক প্রাণহানি

SEOC-র মাসভিত্তিক রিপোর্ট অনুযায়ী, জুন মাসেই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে — ১৩২ জনের মৃত্যু এবং ২৭০ জন আহত হয়েছেন। একই মাসে মৃত্যু হয়েছে ৮৩০টি গবাদি পশুর।

সরকারের প্রস্তুতি ও হেল্পলাইন

রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু করেছে SEOC-তে। বিপদের সময় যোগাযোগের জন্য চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন নম্বর ১০৭০।


```