
সংগৃহীত ছবি
শেষ আপডেট: 15 December 2024 16:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুলিশের জালে দাউদ ইব্রাহিমের খাস লোক দানিশ মার্জেন্ট। তাকে অনেকে দানিশ চিকনা বলেও চেনে। ডংরি এলাকায় দাউদের যে ড্রাগ অপারেশন চলে তার নেতৃত্ব দেয় এই দানিশ। তার সঙ্গে সঙ্গী কাদের গুলাম শেখকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মুম্বই পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ড্রাগ পাচার সম্পর্কে বেশ কিছুদিন ধরেই পুলিশের কাছে খবর ছিল। পুলিশের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় ছিল দানিশ মার্চেন্ট। চলতি বছর অগস্ট থেকে তদন্ত চলার পর তাকে শনিবার গ্রেফতার করা সম্ভব হয়। এই তদন্ত শুরু করে নভেম্বরে মহম্মদ আশিকুর শাহিদুর রহমান ও রেহান শাকিল আনসারী নামে দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই দানিশের খোঁজ পায় পুলিশ।
প্রথমে ওই শাহিদুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয় ১৪৪ গ্রাম ড্রাগ-সহ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ শাকিল আনসারীর খবর পায়। ডংরিতে যার কাছে ড্রাগ রাখা থাকত বলে জানা যায়। এরপর আনসারীকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে নতুন তথ্য পায় পুলিশ। সে পুলিশকে জানায়, এই ড্রাগ সাপ্লাই করত দানিশ মার্চেন্ট। উঠে আসে কাদির ফান্টার নাম।
পুলিশ তার পরই দানিশ ও ফান্টার খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। ১৩ ডিসেম্বর ডংরিতে জালপাতেন আধিকারিকরা। যাতে ধরা দেয় দানিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দাউদের কথা উঠে আসে।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে এই ডংরিতেই দাউদের ড্রাগ ফ্যাক্টরি থেকে কোটি টাকার মাদক বাজেয়াপ্ত করেছিল এনসিবি অর্থাৎ নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। সে সময় দানিশ মার্চেন্টকে রাজস্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়। তারপর থেকে সে জেলেই ছিল। খুব সম্প্রতি ছাড়া পায়। আর তারপরই ফের কাজে লেগে পড়ে। কিন্তু পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিতে পারেনি। আবারও তাকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে, মনে করা হচ্ছে সেই সূত্র ধরে ফান্টার খোঁজ মিলবে শীঘ্রই।