
মহম্মদ সিরাজ
শেষ আপডেট: 23 April 2025 15:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পহেলগামে জঙ্গি নাশকতা (Pahalgam Terrorist Attack) নিয়ে দেশের বিভিন্ন মহলে নিন্দার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। গৌতম গম্ভীর থেকে যুবরাজ সিং। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শচিন তেন্ডুলকর—দেশের ক্রিকেট জগতের অনেক তারকা নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন।
এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডে মুখ খুলেছেন মহম্মদ সিরাজও। টিম ইন্ডিয়ার পেসার ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ পোস্ট করেন। যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘এক্ষুনি পহলগামে ভয়ংকর, মর্মান্তিক জঙ্গিহানার খবর পেলাম। দেশের নিরীহ নাগরিকদের ধর্মের নামে মেরে ফেলাটা নৃশংস ঘটনা। কোনও কারণ, কোনও বিশ্বাস, কোনও আদর্শ এমন দানবীয় হত্যাকাণ্ডের ব্যাখ্যা হতে পারে না। এ কেমন লড়াই… যেখানে মানুষের জীবনের কোনও মূল্য নেই…’
View this post on Instagram
এরপরই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়ে সিরাজ লেখেন, ‘নিহতদের পরিবার ঠিক কোন যন্ত্রণা ও অবসাদের মধ্যে রয়েছে তা কল্পনাও করতে পারছি না। ঈশ্বর তাঁদের এই অসহনীয় শোক সহ্য করার এবং এমন দুর্দশা অতিক্রমের শক্তি দিন। আমরা এই ক্ষতির জন্য দুঃখিত। আমি চাই এই নারকীয়তা দ্রুত শেষ হোক। জঙ্গিরা যেন ধরা পড়ে। কোনও ক্ষমা নয়—তাদের যেন শাস্তি দেওয়া হয়।‘
আজকেই এই বিষয়ে সরব হন বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটার শ্রীবৎস গোস্বামীও। যদিও শুধু জঙ্গি নয়, জঙ্গিদের মদতদাতা হিসেবে পাকিস্তানকে নিশানা করেন তিনি। একদা বিরাট কোহলির সঙ্গেই উত্থান হয়েছিল শ্রীবৎসের। একসঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে দেশকে জিতিয়েছিলেন অনূর্ধ-১৯ বিশ্বকাপ। কাশ্মীরের এই জঙ্গি নাশকতা প্রসঙ্গে কোনও গোষ্ঠী বা নিষিদ্ধ সংগঠন নয়, প্রাক্তন ক্রিকেটারের নিশানায় উঠে এসেছে পাকিস্তান। পড়শি মুলুককে বিঁধে একটি লম্বা পোস্ট লিখেছেন শ্রীবৎস। যার ছত্রে ছত্রে যুক্তি দিয়ে দেখানো হয়েছে, কেন এই মুহূর্তে শুধু নয়, বরাবরের জন্য ভারতের খেলাধুলোর অঙ্গনে পাকিস্তানকে বয়কট করা উচিত।
শ্রীবৎস লিখেছেন, ‘ঠিক এই কারণেই আমি বারবার বলে এসেছি, পাকিস্তানের সঙ্গে কখনও ক্রিকেট খেলা উচিত নয়। এখন নয়। কখনও নয়। যখন বিসিসিআই এবং কেন্দ্রীয় সরকার ভারতীয় দলকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে পাকিস্তান যেতে দেয়নি, তখন অনেকেই ঔদ্ধত্য দেখিয়ে বলেছিলেন, ‘খেলাকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা উচিত। সত্যি? আমার তো মনে হয়, নিরীহ ভারতীয়দের হত্যা করাই ওদের জাতীয় খেলা। আর যদি সেটা সত্যি হয়, তাহলে এবার ওদের ভাষাতেই জবাব ফিরিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে। সেটা ব্যাটে-বলে নয়। স্থির সংকল্পের ঢঙে। আত্মসম্মানের পথে। জিরো টলারেন্সের রাস্তায়। আমি প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ। ভেঙে পড়েছি।‘