Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

স্বামীর মৃত্যুর পর ক্ষতিপূরণ বাবদ চাকরির টাকার ভাগ শাশুড়িকে দিতে হবে: আদালত

প্রতি মাসে শাশুড়িকে ১০,০০০ টাকা করে মাসিক খরচ চালানোর জন্য দিতে হবে।

স্বামীর মৃত্যুর পর ক্ষতিপূরণ বাবদ চাকরির টাকার ভাগ শাশুড়িকে দিতে হবে: আদালত

পাঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্ট

শেষ আপডেট: 18 December 2024 14:53

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একটি দৃষ্টান্তমূলক রায়ে আদালত জানিয়ে দিল, স্বামীর মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ বাবদ স্ত্রী চাকরি পেলে শাশুড়িকেও ভরণপোষণের মাসোহারা দিতে হবে। স্বামীহারা এক মহিলার আবেদন নাকচ করে দিয়ে পাঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্ট রায়ে জানিয়েছে, প্রতি মাসে শাশুড়িকে ১০,০০০ টাকা করে মাসিক খরচ চালানোর জন্য দিতে হবে। উল্লেখ্য, একটি পারিবারিক আদালত আগেই এই রায় দিয়েছিল। যা চ্যালেঞ্জ করে এক মহিলা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ওই মহিলা স্বামীর মৃত্যুর পর ক্ষতিপূরণ বাবদ চাকরি পেয়েছিলেন।

আবেদনকারিণী হাইকোর্টে আনা আবেদনে জানিয়েছিলেন, ২০০২ সালের মার্চ মাসে তাঁর কনস্টেবল স্বামী কাপুরথালা রেল কারখানায় কর্তব্যরত অবস্থায় মারা যান। যার পরে ২০০৫ সালের ২৮ জানুয়ারি তিনি জুনিয়র ডিভিশন ক্লার্ক হিসাবে চাকরিতে যোগ দেন। সেই সময় তিনি তাঁর শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চলে এসেছিলেন।

২০২২ সালে তাঁর শাশুড়ি এক আবেদনে ভরণপোষণ বাবদ মাসোহারা দাবি করে এক আর্জি জানান। যার ভিত্তিতে নিম্ন আদালত পুত্রবধূকে প্রতি মাসে শাশুড়িকে ১০,০০০ টাকা করে খরচ চালানোর জন্য দিতে বলে। যাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবেদনকারিণীর কৌঁসুলি আদালতে জানান, তাঁর মক্কেলের শাশুড়ির পাঁচ সন্তান রয়েছেন। তাঁরা ভাইয়ের উপর নির্ভরশীল ছিলেন না। সহানুভূতির ভিত্তিতে পাওয়া চাকরির পর তাঁর মক্কেল ছেলে নিয়ে শ্বশুরবাড়িও ছাড়েন। 

হাইকোর্টে বলা হয়, এই মহিলা একাকী মা হিসেবে ছেলেকে লালনপালন করতে থাকেন। ভরণপোষণের আবেদনটিও চাকরি পাওয়ার ২০ বছর পর করা হয়েছে। সব থেকে বড় কথা মৃতের স্ত্রী চাকরি পেলে শাশুড়ি কখনই পুত্রবধূর নির্ভরশীল হতে পারেন না। অন্যদিকে, শাশুড়ির পক্ষের আইনজীবী বলেন, ওই পুত্রবধূ যে চাকরি পেয়েছেন তা তাঁর মক্কেলেরই সন্তানের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণে। পুত্রবধূ যখনই চাকরি নিয়ে ফেলেছেন, তখনই তিনি ছেলের উপর নির্ভরশীল মায়েরও ভরণপোষণের দায়িত্বশীল হয়ে পড়েছেন। যে দায়িত্ব তিনি ওই চাকরির সুবাদে এড়াতে পারেন না।

এর জবাবে আদালত বলেছে, ক্ষতিপূরণ বাবদ চাকরি দেওয়াই হয় মৃতের রোজগারের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিরা যাতে সম্মানের সঙ্গে জীবনধারণ করতে পারেন তার জন্য। দেখা যাচ্ছে, বৃদ্ধার স্বামীরও ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে এবং তাঁর যে রিকশ চালক ছেলের সঙ্গে তিনি থাকেন, তিনি মায়ের যাবতীয় খরচ টানতে পারছেন না। ফলে আদালত কেবলমাত্র আইনের অন্ধ অনুসরণ করে বিচার করতে পারে না। এই সমাজের মূল্যবোধকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতেও দেখা জরুরি। সুতরাং, ওই পুত্রবধূকে তাঁর শাশুড়িকে মাসে ১০ হাজার টাকা দিতে নির্দেশ দেয় আদালত।


```