.webp)
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাহুল গান্ধী। ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 18 June 2024 15:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিট-ইউজি ২০২৪ পরীক্ষায় 'অনিয়ম' নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। মঙ্গলবার ফের নতুন করে ঝাঁঝাল ভাষায় মোদীকে নিশানা করে তিনি বলেন, পরীক্ষার অনিয়ম নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এখনও নীরব কেন? এর আগে এদিনই নিট পরীক্ষা বিতর্কে নিয়ামক সংস্থা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে ফের নোটিস দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
সে বিষয়ে এক এক্সবার্তায় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি, সাংসদ রাহুল গান্ধী লিখেছেন, প্রতিবারের মতো এবারেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২৪ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যতের ইস্যুতেও নীরব রয়েছেন। নিট পরীক্ষার কেলেঙ্কারি নিয়ে যে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখে আর কোনও সাড়াশব্দ নেই।
বিহার, গুজরাত এবং হরিয়ানায় গ্রেফতারের ঘটনা পরিষ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় পরিকল্পিত এবং সংগঠিত দুর্নীতি হয়েছে। প্রশ্নফাঁসের মতো অভিযোগের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলগুলি হল বিজেপি শাসিত রাজ্য। নির্বাচনী ইস্তাহারে আমরাই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, যুবদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা হবে। প্রশ্নফাঁসের মতো বিষয়ে কঠিন আইন আনা হবে।
NEET परीक्षा में 24 लाख से अधिक छात्रों के भविष्य के साथ हुए खिलवाड़ पर भी नरेंद्र मोदी हमेशा की तरह मौन धारण किए हुए हैं।
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) June 18, 2024
बिहार, गुजरात और हरियाणा में हुई गिरफ्तारियों से साफ है कि परीक्षा में योजनाबद्ध तरीके से संगठित भ्रष्टाचार हुआ है और ये भाजपा शासित राज्य पेपर लीक का…
এখন বিরোধী হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হল যুব সমাজের এই প্রতিবাদকে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া। গলি থেকে রাজপথ এবং সংসদেও সরকারকে চেপে ধরতে হবে এ বিষয়ে। যাতে এই সরকারও প্রশ্নফাঁস রুখতে কঠোরতম ব্যবস্থা নেয়। লিখেছেন রাহুল গান্ধী। এর আগেও রাহুল নিট পরীক্ষার দুর্নীতি নিয়ে মোদীকে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন।
উল্লেখ্য, এদিনই সর্বভারতীয় ডাক্তারি পরীক্ষা নিটের প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগে নোটিস জারি করে সর্বোচ্চ আদালত। ডাক্তারি পড়তে ইচ্ছুক পরীক্ষার্থী এবং তাঁদের অভিভাবকদের দেশজুড়ে বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালতের মত, এই পরীক্ষায় যদি সামান্যতম ত্রুটিও হয়ে থাকে, তাহলে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার হওয়া উচিত।
আদালত বলেছে, যদি নিট-ইউজি ২০২৪ পরীক্ষায় ০.০০১ শতাংশও গাফিলতি থেকে থাকে তাহলে পদক্ষেপ প্রয়োজন। যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে তাহলে স্বীকার করা উচিত। দেশজুড়ে এই পরীক্ষায় পাশ করার জন্য লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার কঠিন সাধ্যসাধনার দিকে তাকিয়ে বলা যায়, যদি ০.০০১ শতাংশও ঘাটতি বা গাফিলতি হয়ে থাকে, সে বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে সেদিকে দৃষ্টিপাত করা হোক। একথা জানিয়ে কেন্দ্র ও এনটিএ-কে নোটিস দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং এসভি ভাট্টির অবসরকালীন বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের শুনানিতে আগের বিচারপতিদের বেঞ্চের মতোই একই উদ্বেগ প্রকাশ করে। বিচারপতি ভাট্টি আরও বলেন, একজন পরীক্ষার্থী যদি জাল-জুয়াচুরি করে ডাক্তার হয়, তাহলে তা সমাজের পক্ষে বিরাট ক্ষতিকর। অত্যন্ত কঠিন এই পরীক্ষায় পাশ করার জন্য মাসের পর মাস ধরে কঠিন পরিশ্রম করেছে সকলে। তাদের বক্তব্যের মূল্য দেওয়া উচিত।