
শেষ আপডেট: 27 February 2024 20:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যসভা ভোটে ক্রস ভোটিংয়ের জেরে হিমাচল প্রদেশে কংগ্রেস সরকার টলমল। মঙ্গলবার কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভির বিরুদ্ধে অন্তত ৯টি ভোট পড়েছে। এরপরেই রাজ্য রাজনীতিতে উত্থান-পতনের পারদের দিকে নজর সকলের। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর বলেছেন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বাজেট রয়েছে। তারপর আমরা পরিস্থিতি বুঝে নেব। তাঁর বিশ্বাস, সুখবিন্দর সুখুর সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে চলেছে।
হিমাচলে বিজেপির পক্ষে ৬ জন এবং ৩ জন নির্দল বিধায়ক ভোট দিয়েছেন এদিন। ভোট গণনা শেষের আগেই তাঁদের ৯ জনের জন্য আধা সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। এদিন সকালে কংগ্রেসের ৬ জন একই গাড়িতে করে আসেন। সেখানে বিজেপি বিধায়করা তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন। আপাতত তাঁদের কারও সঙ্গে যোগাযোগ না করা গেলেও সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়েছে ওই বিধায়কদের জন্য।
এই পরিস্থিতিতে হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সুখু কংগ্রেস বিধায়কদের জরুরি বৈঠকে ডেকেছেন। উল্লেখ্য, ৬৮ সদস্য বিশিষ্ট হিমাচল প্রদেশে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ৪০। নির্দল বিধায়ক ৩ জন। যাঁরা আপাতত বিজেপির মুঠোয়। অন্যদিকে বিজেপির বিধায়ক রয়েছেন ২৫ জন। ক্রস ভোট দেওয়া ৯ জনকে বিজেপির দিকে জুড়লে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ৩৪ জন। বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৩৫ জনের সমর্থন। অর্থাৎ কংগ্রেসের ৪০ জনের মধ্যে আর কয়েকজনকে টানতে পারলেই সিমলায় সরকার পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী হয়ে যাবে।
বিরোধী দলনেতার ইঙ্গিত ছিল বিধানসভায় সরকারকে বাজেট পাশ করাতে গিয়েই এই অগ্নিপরীক্ষার মুখে পড়তে হবে। সেই আতঙ্কেই এদিনই কংগ্রেসের বিধায়কদের বিশেষ বৈঠকে ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এখন তাঁর সামনে রাজ্যসভা আসনের হার-জিতের থেকেও সরকার টিকিয়ে রাখাই কঠিন অগ্নিপরীক্ষা।