.webp)
শেষ আপডেট: 11 March 2024 09:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে সোমবার ফের বৈঠকে বসতে চলেছে বিজেপি ও কংগ্রেস নেতৃত্ব। বিজেপির সদর দফতরে বিকাল পাঁচটায় বৈঠক ডাকা হয়েছে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির। একই সময় কংগ্রেস অফিসে দলের প্রার্থী বাছাই কমিটির বৈঠক বসতে চলেছে।
দলীয় সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফায় বিজেপি আরও দেড়শো আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দলের সংসদীয় বোর্ড সবুজ সংকেত দিলে সোমবার রাতেই দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করে দেওয়া হতে পারে।
কংগ্রেসের বৈঠকটি হওয়ার কথা দলের সদর দফতরে। তবে প্রয়োজনে তা সনিয়া গান্ধীর বাংলোতেও হতে পারে, তাঁর শরীর-স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় রেখে।
প্রথম দফায় বিজেপি ১৯৫ আসনের নাম ঘোষণা করেছে। সেখানে কংগ্রেস করেছে মাত্র ৩৯ আসনের প্রার্থীর নাম। সেই তালিকায় দলের তারকা প্রার্থী বলতে শুধু রাহুল গান্ধীর নাম রয়েছে। তাঁর বর্তমান কেন্দ্র কেরলের ওয়ানাড থেকে লড়বেন তিনি। রবিবার উত্তর প্রদেশ রাজ্য কংগ্রেস কমিটি হাইকমান্ডের কাছে লিখিতভাবে দাবি করেছে আমেঠি ও রায়বেরলিতে যথাক্রমে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে প্রার্থী করা হোক। দ্বিতীয় তালিকায় কংগ্রেস নেতৃত্ব কোনও সিদ্ধান্ত জানায় কি না সেটাই দেখার। দলের অনেকেই মনে করছেন, রাজ্য ইউনিট বলার পরও রাহুল, প্রিয়ঙ্কারা উত্তর প্রদেশ থেকে প্রার্থী না হলে দেশের বৃহত্তম রাজ্যটিতে পার্টির লড়াই কঠিন হয়ে পড়বে। বিজেপি বলার সুযোগ পেয়ে যাবে, ভয়ে প্রার্থী হলেন না গান্ধী পরিবারের দাদা-বোন।
অন্যদিকে, সোমবারের বৈঠক নিয়ে বঙ্গ বিজেপিতে কৌতূহল তুঙ্গে উঠেছে খড়্গপর আসন নিয়ে। সেখানকার সাংসদ দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা সর্ব ভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের নাম প্রথম তালিকায় ছিল না। তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয় খড়্গপুর নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কি অন্য কোনও ভাবনা আছে। ভিন রাজ্যের কাউকে কি রেল নগরী থেকে প্রার্থী করা হতে পারে?
প্রথম দফায় বিজেপি বাংলায় মাত্র ২০টি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নাম আছে তাঁর বর্তমান কেন্দ্র বালুরঘাট থেকে। প্রাক্তন সভাপতি দিলীপের খড়্গপুরের নাম তালিকায় না থাকায় দলে অনেকেই বর্তমান সাংসদের টিকিট পাওয়া নিয়ে সন্দিহান। তাঁকে আগেই সংগঠন থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের কোনও সাংগঠনিক পদে না থাকায় প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড খড়্গপুরের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গিয়েছে। দিলীপ নিজে অবশ্য বলছেন, মাত্র ১৯৫ আসনের প্রার্থী প্রথম দফায় প্রকাশ করা হয়েছে। কেন্দ্র ধরে ধরে আলোচনা হয়। বোঝাই যাচ্ছে প্রথম দফায় বৈঠকে খড়্গপুর আলোচনায় ছিল না। এতে আশ্চর্যের কিছু নেই।
প্রথম দফার তালিকায় ছিল না রায়গঞ্জের নামও। সেখানকার বর্তমান সাংসদ দেবশ্রী দেবশ্রী চৌধুরীর ঘনিষ্ঠরাও চিন্তায় আছেন। ২০১৪-তে জেতার পর কেন্দ্রে মন্ত্রী করা হয়েছিল তাঁকে। ২০১৯-এ জিতলেও মন্ত্রিসভায় আর জায়গা হয়নি।