Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম ধর্ষণ? বড় পর্যবেক্ষণ ছত্তীসগড় হাইকোর্টের

নাবালিকার অপহরণ, ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় দুজন অভিযুক্ত ছিল। তাঁদেরকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম ধর্ষণ? বড় পর্যবেক্ষণ ছত্তীসগড় হাইকোর্টের

প্রতীকী ছবি

শেষ আপডেট: 21 December 2024 19:05

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছত্তীসগড় হাইকোর্টে এক নাবালিকার অপহরণ, ধর্ষণ এবং খুনের একটি মামলার শুনানি চলছিল। সেই শুনানিতেই বড় পর্যবেক্ষণ আদালতের। বলা হল, মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গমকে আইনত ধর্ষণ বলা যায় না। তবে সেটি মারাত্মক অপরাধ। একই সঙ্গে বিচারপতির বেঞ্চ এও জানিয়েছে, পকসো আইনের আওতাতে একে আনা যাবে না। 

নাবালিকার অপহরণ, ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় দুজন অভিযুক্ত ছিল। তাঁদেরকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তার নির্দেশনামায় ছত্তীসগড় হাইকোর্টের বিচারপতি রমেশ সিনহা এবং বিভু দত্ত গুরুর বেঞ্চ জানিয়েছে, মৃতদেহকে ধর্ষণের ঘটনা জঘন্য এবং ভয়ঙ্কর অপরাধ হলেও পকসো আইনের ধারায় এই অপরাধের জন্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। কারণ আইন অনুযায়ী, নির্যাতিতাকে জীবিত থাকতে হবে। 

যে মামলার প্রেক্ষিতে এই পর্যবেক্ষণ আদালতের সেই মামলা প্রথমে নিম্ন আদালতে চলছিল। পৃথক পৃথক মামলায় দুই অভিযুক্ত নীতিন যাদব এবং নীলকান্ত নাগেশকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। প্রথম বা মূল অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল আদালত।

দ্বিতীয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নির্যাতিতার মৃত্যুর পর তাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগ খারিজ করে নিম্ন আদালত তাকে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ-সহ বেশ কিছু ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়। 

নিম্ন আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে ছত্তীসগড় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল অভিযুক্তরা। তবে হাইকোর্ট আগের নির্দেশই বহাল রেখেছে। 


```