
বদ্রীনাথে ধস।
শেষ আপডেট: 11 July 2024 13:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চারধাম যাত্রীদের পরিবারের জন্য সুখবর। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকালে খুলল বদ্রীনাথ হাইওয়ে। প্রবল বৃষ্টির তোড়ে ধস নেমে উত্তরাখণ্ডের ২৬০টির বেশি রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা ধরে কয়েক হাজার তীর্থযাত্রী প্রবল বৃষ্টি ও ধসের কবলে পড়ে আটকে পড়েছিলেন। এদিন সকালে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন দিনরাতের চেষ্টায় ধস সরিয়ে রাস্তা খুলে দিতে সক্ষম হয়।
জোশিমঠের কাছে চুঙ্গিধারে বদ্রীনাথ হাইওয়ের একাংশ থেকে ধস সরিয়ে কিছু এলাকায় হাঁটার মতো পথ এবং কিছু জায়গায় একটি গাড়ি চলাচলের মতো পরিসর তৈরি করা গিয়েছে। গত ৯ জুলাই থেকে এই জায়গাটি ধসে অবরুদ্ধ হয়েছিল। বিআরও কর্মীদের অদম্য চেষ্টার ফলে প্রায় ৫৮ ঘণ্টা পর ২০০ জন তীর্থযাত্রীকে এদিন সকালে হাঁটিয়ে ওই দুর্গম এলাকা পার করিয়ে দেওয়া হয়।
সংস্থার পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, এদিন বাকি অংশও পরিষ্কার করে গাড়ি চলাচলের উপযুক্ত করে তোলা হবে। তবে তা নির্ভর করছে বৃষ্টিপাতের পরিমাণের উপর। স্থানীয়ভাবে এখানে কাজের অগ্রগতি হলেও বদ্রীনাথ-হৃষিকেশ জাতীয় সড়কের কোনও উন্নতি হয়নি। চামোলি জেলার লাঙ্গসি, পাগলনালা, পিপলকোটিতে ধস এখনও থামেনি।
চামোলির ভানেরপানিতেও বৃহস্পতিবার সকালে বদ্রীনাথ জাতীয় সড়কের একাংশ খুলে দেওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে জাতীয় সড়কের কয়েকটি অংশ খুলে দেওয়ায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন কেদার-বদ্রীসহ চারধাম যাত্রীরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কয়েকহাজার তীর্থযাত্রী এখনও আটকে রয়েছেন। ইতিমধ্যেই কয়েকজনের মৃত্যুর খবরও মিলেছে।
আরেকটি সূত্রে জানা গিয়েছে, পাতালগঙ্গায় রাস্তা খুলে দেওয়া গেলেও জোশিমঠের সর্বত্র বিশেষত পাতালগঙ্গা লাঙ্গসি সুড়ঙ্গ এখনও অবরুদ্ধ হয়ে আছে। ২ হাজারের বেশি তীর্থযাত্রী যাঁরা বদ্রীনাথ ও হেমকুন্ড সাহিবের দিকে যাচ্ছিলেন কিংবা ফিরছিলেন তাঁরা এই ধসে আটকে পড়েন।