চন্দন-খুনের 'মাস্টারমাইন্ড' তৌসিফ খান (Patna Firing Tausif Khan) ওরফে বাদশাকে গত শনিবারই কলকাতার আনন্দপুর থেকে গ্রেফতার করেছে বিহার ও কলকাতা পুলিশের এসটিএফ।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 22 July 2025 12:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাটনা হাসপাতাল গুলিকাণ্ডে আরও দুজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে বিহারের আরহা শহরে যৌথ অভিযান চালায় এসটিএফ এবং বিহার পুলিশের টিম (Patna Hospital Shootout)। বিহিয়া-কাটেয়া রোডের পাশে একটি নদীর ধারে তাঁদের ধরে ফেলে পুলিশ। পালাতে গেলে এনকাউন্টারে জখম হয় দুই দুষ্কৃতী।
পুলিশ জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ দুই অভিযুক্তদের একজন বক্সারের বাসিন্দা বলবন্ত, অন্যজন বিহিয়ার বাসিন্দা রবি রঞ্জন। অভিযোগ, হাসপাতালের ভিতরের যে সিসিটিভি ফুটেজ উদ্ধার হয়েছে সেখানে বলবন্তকেও দেখা গিয়েছে (Gangster Chandan Mishra Murder Case)। অন্যদিকে এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, চন্দন মিশ্রকে যারা গুলি করেছিল তাদের মধ্যে একজন বলবন্ত।
এদিনের এনকাউন্টারে (Police Encounter) রবি রঞ্জনের পায়ে এবং বলবন্তের হাতে ও পায়ে গুলি লাগে। দু’জনকেই প্রথমে বিহিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে আরহার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। অভিযুক্তদের কড়া পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আরও এক যুবক অভিষেক কুমারকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
চন্দন মিশ্র বক্সারের বাসিন্দা ছিলেন এবং পাটনার বেউর জেলে বন্দি ছিলেন। চিকিৎসার জন্য ছুটি নিয়ে বেরিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সেই সময়েই ঘটে হামলা। গ্যাংস্টার স্টাইলে চলে খুন।
চন্দন-খুনের 'মাস্টারমাইন্ড' তৌসিফ খান (Patna Firing Tausif Khan) ওরফে বাদশাকে গত শনিবারই কলকাতার আনন্দপুর থেকে গ্রেফতার করেছে বিহার ও কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। তৌসিফের ভাই নিশু খান-সহ আরও দুজনকে একইসঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে তৌসিফকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে।
পাটনার এসএসপি কার্তিকেয় শর্মা জানিয়েছেন, তৌসিফ ও নিশুর বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ দাবি করেছে, চন্দন মিশ্রকে খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল নিশু খানের বাড়িতে। যদিও নিশু সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।