
শেষ আপডেট: 5 February 2024 14:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অবশেষে মিটল ঝাড়খণ্ডের রাজনৈতিক সংকট। ৬ দিনের ডামাডোলের পর বিধানসভায় আস্থা ভোটে জয়ী হল চম্পাই সোরেনের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। সোমবার আস্থা ভোটে ৪৭ জন বিধায়কের সমর্থন পেয়েছেন চম্পাই। ২৯টি ভোট পড়েছে তাঁর বিপক্ষে।
ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় মোট আসনের সংখ্যা ৮১। এর মধ্যে ৪১টি ভোট পেলেই চম্পাই সরকারের স্থায়ীত্ব নিশ্চিত করা যেত। এদিন আস্থা ভোটের পর দেখা গিয়েছে, ছ’টি ভোট ভোট বেশি পেয়েছে চম্পাইয়ের জোট সরকার। শাসক জোটের সকলেই নতুন সরকারকে ভোট দিয়েছেন বলে খবর।
ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল চম্পাইকে ১০ দিনের মধ্যে সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে বলেছিলেন। সেই অনুয়ায়ী সোমবার বিধানসভায় আস্থাভোট হয়। ৪৭ জন বিধায়কের ভোট পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পান চম্পাই। স্থায়ী সরকার গড়তে চলেছেন চম্পাইয়ের জোট সরকার।
অন্যদিকে, এদিন হেমন্ত সোরেনকে আস্থা ভোটে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল রাঁচির একটি বিশেষ আদালত। কড়া প্রহরায় তাঁকে জেল থেকে বিধানসভায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আস্থা ভোটের বিতর্কে রাজ্যপাল রাধা কৃষ্ণনানকে নিশানা করেন হেমন্ত। বলেন, বিজেপিকে সরকার গড়ার সুযোগ করে দিতে ইডিকে চাপ দিয়ে আমাকে গ্রেফতার করানো হয়েছে। রাজ্যপাল গোটা ষড়যন্ত্র করেছেন।
গত ৩১ জানুয়ারি ইডির হাতে গ্রেফতার হন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। ওইদিন সন্ধ্যায় রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার পরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করেন চম্পাই সোরেন। কিন্তু তারপরই রাজনৈতিক অস্থিরতায় পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ‘ঘোড়া কেনাবেচা’ হতে পারে এই আশঙ্কায় সোমবারের আস্থা ভোটের আগে ইন্ডিয়া জোটের সকল বিধায়কদের হায়দরাবাদের এক রিসর্টে নিয়ে গিয়ে রাখা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত জয়ী হলেন চম্পাই।