
শেষ আপডেট: 2 February 2024 12:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণণের সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি। জল্পনা ছিল, হেমন্ত সোরেনের পর তিনিই হতে চলেছেন রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার সেটাই হল। নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার বিধায়ক দলের নেতা চম্পাই সোরেন।
রাঁচির রাজভবনের দরবার ভবনে শুক্রবার ১২.১৫ মিনিট নাগাদ এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান চম্পাই। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেসের পরিষদীয় নেতা আলমগির আলম, সিপিআই (এমএল)-এর বিনোদ সিংহ এবং জেভিএম (বর্তমানে কংগ্রেস) বিধায়ক প্রদীপ যাদব। তখনও কোনও আশ্বাস মেলেনি। এরপর এদিন মধ্যরাতে রাজভবন থেকে চম্পাইকে শপথ নেওয়ার আমন্ত্রণ আসে।
৮১ আসনের ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় শাসক জোটের হাতে রয়েছে ৪৮ জন বিধায়ক। অন্যদিকে, জেএমএম ২৯, কংগ্রেস ১৬, আরজেডির ১ এবং সিপিআই (লিবারেশন) ১। এর মধ্যে আবার গ্রেফতারির কারণে বিধানসভায় ভোটাভুটিতে অংশ নিতে পারবেন না হেমন্ত সোরেন। এদিকে, বিরোধীর আসনে রয়েছেন বিজেপির ২৫, আজসুর ৩, এনসিপি (অজিত) ১ এবং নির্দল ৩ জন অর্থাৎ মোট ৩২ জন বিধায়ক।
এই পরিস্থিতিতে ১০ দিনের মধ্যে চম্পাইকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে হবে। আর এই নির্ধারিত সময়সীমাই চম্পাইের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফলেছে। উত্তরাখণ্ড, অরুণাচল, কর্নাটক কিংবা মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যে বিজেপির বিরুদ্ধে ‘বিধায়ক কেনাবেচা’ অভিযোগ উঠেছে। তাই আগামী ১০ দিনের মধ্যে ঝাড়খণ্ডেও তেমন ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা করা হচ্ছে।