
ফেল করা পড়ুয়ারা দুমাসের মধ্যে ফের বার্ষিক পরীক্ষা দিতে পারবে।
শেষ আপডেট: 23 December 2024 18:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে 'ফেল' করার নীতি ফিরছে। মাঝে বেশ কয়েক বছর ধরে পাশফেল পদ্ধতি তুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, এবার কেন্দ্র সেই অনুত্তীর্ণ পড়ুয়াদের ক্লাসে তুলে দেওয়ার পদ্ধতি বাতিল করে দিল। অর্থাৎ, পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষার কোনও পরীক্ষার্থী যদি অকৃতকার্য হয়, তাহলে তাকে ফের একটি বছর সেই ক্লাসেই রেখে দেওয়া হবে। তবে ফেল করা পড়ুয়ারা দুমাসের মধ্যে ফের বার্ষিক পরীক্ষা দিতে পারবে। যদি তারা আবার ফেল করে তাহলে তাদের ক্লাসে তোলা হবে না, এবং সেই বছর ওই ক্লাসেই থেকে যেতে হবে।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক এও জানিয়েছে যে, প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কোনও স্কুল কোনও শিশুকে তাড়াতে পারবে না। মন্ত্রকের সচিব সঞ্জয় কুমার বলেন, স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার বাহ্যিক প্রয়োগের উন্নতির কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০১০ সালের শিশুর বিনামূল্যে ও আবশ্যিক শিক্ষা আইনের সংশোধনীতে এই ব্যবস্থা আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষাক্ষেত্রে ক্লাস টিচার যেমন পড়ুয়াকে সঠিক দিশা দেখাবেন, তেমনই বাবা-মায়েরাও সন্তানকে প্রেরণা জোগাবেন। প্রয়োজন পড়লে সেই পডু়য়ার বোঝার খামতির দিকে বিশেষভাবে নজর রাখতে হবে। বিভিন্ন স্তরের মূল্যায়নের ভিত্তিতে ওই পড়ুয়ার অভ্যন্তরীণ বিকাশের উপর জোর দেওয়া জরুরি।
কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, নবোদয় বিদ্যালয় এবং সৈনিক স্কুলসহ কেন্দ্রীয় সরকারি ৩,০০০-এর বেশি স্কুলে এই ব্যবস্থা চালু হচ্ছে বলে শিক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা যেহেতু সংবিধানের রাজ্য তালিকাভুক্ত বিষয়, সেহেতু রাজ্যগুলি এনিয়ে পৃথক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী। ইতিমধ্যেই ১৬টি রাজ্য ও দিল্লিসহ ২টি কেন্দ্রশাসিত এলাকা এই পদ্ধতি মানবে না বলে জানিয়েছে। হরিয়ানা ও পুদুচেরি এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। বাকি রাজ্যগুলি এই নীতি মানবে বলে জানিয়েছে।