
পূজা খেদকার
শেষ আপডেট: 7 September 2024 18:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'বিশেষভাবে সক্ষম' হওয়ার জাল নথি জমা দিয়ে পরীক্ষায় পাশ করেছিলেন তিনি। বিতর্কিত আমলা পূজা খেদকারের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ উঠেছিল। তার জন্যই তাঁকে নিষিদ্ধ করেছিল ইউপিএসসি। এবার কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে আইএএস পদ থেকেই বরখাস্ত করে দিল।
ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা ইউপিএসসি কর্তৃপক্ষ পূজার প্রার্থীপদ বাতিল করে দিয়ে আগেই স্পষ্ট জানিয়েছে ভবিষ্যতেও তিনি আর পরীক্ষায় বসতে পারবেন না। ভুয়ো পরিচয়ে একাধিকবার তিনি পরীক্ষা দিয়েছিলেন বলে ইউপিএসসি তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে কোন নিয়মে বরখাস্ত করল? নিয়ম বলছে, কোনও পরীক্ষার্থী যদি পুনরায় পরীক্ষায় পাশ না করতে পারে, অথবা কেন্দ্র যদি মনে করে কোনও পরীক্ষার্থী এই চাকরির জন্য যোগ্য নয় কিংবা তাঁকে নিয়ে সন্তুষ্ট না হয় তাঁরা, তাহলে তাঁকে বরখাস্ত করা যায়। পূজার ক্ষেত্রেও এমনটাই হয়েছে।
পরীক্ষায় সুবিধা নেওয়ার পাশাপাশি নিজের ঠিকানা, পরিবার সম্পর্কিত তথ্যও ভুল জমা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে পূজা বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, আইএএস ট্রেনিং চলাকালীন নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন পূজা এমনও দাবি। তার জন্যই তাঁকে বদলি করা হয়েছিল। শেষমেশ বিতর্ক বাড়তে থাকায় তাঁর ট্রেনিং বন্ধ করে দেওয়া হয়। যদিও দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করে পূজা দাবি করেছিলেন, যৌন হেনস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মাশুল তাঁকে দিতে হচ্ছে। এক অফিসার তাঁকে যৌন হেনস্থা করেছিলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার জন্যই এখন তাঁকে টার্গেট করা হচ্ছে।
অন্যদিকে দিল্লি হাইকোর্টে পূজা খেদকারের যুক্তি ছিল, একবার সিলেক্ট হয়ে গিয়ে আইএএস অফিসার হিসেবে ট্রেনিং শুরু করার পর ইউপিএসসি কাউকে বাতিল করতে পারে না। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের পার্সোনাল অ্যান্ড ট্রেনিং ডিপার্টমেন্ট ব্যবস্থা নিতে পারে। পূজার দাবি ছিল, ইউপিএসসি-র এমনটা করার ক্ষমতা নেই।
যদিও ইউপিএসসি তো নিজেদের সিদ্ধান্ত বদল করেইনি, উল্টে এখন কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে বরখাস্ত করে দিয়েছে।