.webp)
রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ও রবার্ট বঢড়া ভারত জোড়ো যাত্রা চলাকালীন। ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 1 May 2024 18:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর মাত্র ২৪ ঘণ্টা। তারপরেই প্রতীক্ষা ও জল্পনার অবসান ঘটাতে চলেছে কংগ্রেস। আগামী ৩ মে রায়বেরলি ও আমেঠির মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষদিন। এই অবস্থায় কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বুধবার জানান, আর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই দুই কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবেন দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে।
কংগ্রেসের চিরকালীন প্রথার মতো শেষমেশ কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি খাড়্গের হাতে সিদ্ধান্তের দায়িত্ব তুলে দিয়েছে। বিজেপির প্রচারকে নস্যাৎ করে রমেশ দাবি করেন, কেউ ভয় পাচ্ছে না। কেউ পালিয়েও যাচ্ছে না। কংগ্রেস গতকাল মঙ্গলবারেও প্রার্থী তালিকায় আমেঠি এবং রায়বেরলির নাম ছিল না। যা নিয়ে জল্পনার জট আরও পাকিয়ে উঠছিল। জয়রাম রমেশের এই জবাবের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে আগামী ২৪ ঘণ্টার ভিতর বড়সড় চমক দিতে পারে দল।
উত্তরপ্রদেশের আমেঠি ও রায়বেরলি কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী হচ্ছেন কারা? এ নিয়ে নানান গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। গান্ধী পরিবারের দুই উত্তরসুরি রাহুল গান্ধী ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর নাম চরে বেড়ালেও ১০ জনপথের বর্তমান প্রজন্মের দুই নেতানেত্রী আদৌ বিজেপির চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধছে। কেননা, আগামী ৩ মে এই দুই কেন্দ্রেই মনোনয়ন জমার শেষ দিন। পঞ্চম দফায় ভোটগ্রহণ হবে ২০ মে। অর্থাৎ হাতে গোনা আর কয়েকটি দিন পাওয়া যাবে প্রচারের জন্য।
এই পরিস্থিতিতে দুই কেন্দ্রেরই স্থানীয় কংগ্রেস কর্মীরা চাইছেন, রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়ঙ্কা গান্ধী যেন আমেঠি এবং রায়বেরলি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দেশের কংগ্রেস আপামর কংগ্রেসিদেরও ইচ্ছা মোদী বিরোধী লড়াইয়ে দলকে চাঙ্গা করতে এবং মনোবল বৃদ্ধি করতে তাঁরা লড়াইয়ে ফিরুন। কারণ, ২০১৯ সালের পরাজয়ের শোধ নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছে না কংগ্রেস।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছেন, তিনি ভোটযুদ্ধে নামার চেয়ে দেশব্যাপী প্রচারে মন দিতে চান। কিন্তু, রায়বেরলি ও আমেঠির কংগ্রেস কর্মীদের দাবি তাঁরা দাঁড়ালেই বিজেপি চাপে পড়ে যাবে। দুই জায়গাতেই পার্টি অফিসের বাইরে গান্ধী পরিবারের প্রার্থীর দাবিতে আন্দোলন চলছে।
সুতরাং, হাতে গোনা মাত্র কয়েকটি দিনের মধ্যে মনোনয়ন জমা দিয়ে প্রচার সেরে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলা যে বেশ কঠিন, তা বেশ বুঝতে পারছে কংগ্রেস শিবির। কিন্তু, দোলাচলের এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য এখনও ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতেই হবে।