সিবিএসই জানিয়েছে, যদিও পাঠ্যবই এখনও নেই, স্কুলগুলিকে স্থানীয়ভাবে পাওয়া যেকোনও বই বা উপকরণ ব্যবহার করে তৃতীয় ভাষা পড়ানো অবিলম্বে শুরু করতে হবে (third language without textbooks)। বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, “যেসব স্কুল ইতিমধ্যেই তৃতীয় ভাষা চালু করেছে, তাদের কাজ চলছে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 9 April 2026 23:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য বড় পরিবর্তন আসছে (CBSE third language)। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE) ঘোষণা করে দিয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করা হবে। বোর্ডের এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই নির্দেশ “জরুরি এবং বাধ্যতামূলক”, তাই সমস্ত স্কুলকে সাত দিনের মধ্যে তৃতীয় ভাষার পঠনপাঠন (CBSE 7-day language mandate) শুরু করতে হবে।
অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ
সিবিএসই জানিয়েছে, যদিও পাঠ্যবই এখনও নেই, স্কুলগুলিকে স্থানীয়ভাবে পাওয়া যেকোনও বই বা উপকরণ ব্যবহার করে তৃতীয় ভাষা পড়ানো অবিলম্বে শুরু করতে হবে (third language without textbooks)। বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, “যেসব স্কুল ইতিমধ্যেই তৃতীয় ভাষা চালু করেছে, তাদের কাজ চলছে। বাকি স্কুলগুলিকেও এই বিজ্ঞপ্তির তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে নির্দেশটি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।”
ভাষা নির্বাচন ও ভবিষ্যতের প্রভাব
স্কুলগুলিকে তাদের নির্বাচিত তৃতীয় ভাষা (Third Language) সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে হবে এবং OASIS পোর্টালে আপডেট করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ষষ্ঠ শ্রেণিতে যেসব ভাষা চালু করা হবে, পরবর্তীতে নবম ও দশম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের জন্যও শুধুমাত্র সেই ভাষা বিষয় হিসেবে বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
‘ত্রি-ভাষা সূত্র’ কী?
এই নীতি ‘স্কুল শিক্ষার জন্য জাতীয় পাঠ্যক্রম রূপরেখা ২০২৩’-এর সুপারিশের অংশ। এর লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে বহুভাষিক দক্ষতা বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া গড়ে তোলা এবং জাতীয় সংহতিকে (National Integration) উৎসাহিত করা। সাধারণত শিক্ষার্থীরা তিনটি ভাষা শিখবে:
আঞ্চলিক ভাষা বা মাতৃভাষা (প্রথম ভাষা)
অন্য একটি ভারতীয় ভাষা বা ইংরেজি (দ্বিতীয় ভাষা)
একটি অতিরিক্ত ভারতীয় ভাষা (তৃতীয় ভাষা)
কঠোর পর্যবেক্ষণ
বোর্ড জানিয়েছে, সমস্ত স্কুলকে নির্দেশাবলি অবিলম্বে এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। আঞ্চলিক অফিসগুলি নিয়মিতভাবে এই প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবে। সিবিএসই সতর্ক করেছে, “এই নির্দেশনা অত্যন্ত জরুরি ও বাধ্যতামূলক।”
\নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে সিবিএসই-এর এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভাষাগত দক্ষতা ও সাংস্কৃতিক সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। এছাড়া, স্কুল শিক্ষার সঙ্গে জাতীয় পাঠ্যক্রমের বহুভাষিক দৃষ্টিভঙ্গি সমন্বয় সাধনের ক্ষেত্রে এটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।