
নিট মামলায় প্রথম চার্জশিট জমা দিল সিবিআই
শেষ আপডেট: 2 August 2024 08:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিটের প্রশ্নফাঁস মামলায় তদন্ত হাতে নেওয়ার পরই একাধিক গ্রেফতারি করেছে সিবিআই। এবার তাঁরা প্রথমবার চার্জশিট জমা দিল। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, এই চার্জশিটে ১৩ জনের নাম রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মোট ছ’টি ধারায় মামলা রুজু করেছে তাঁরা। যদিও তদন্তের এখনও অনেকটাই বাকি আছে বলে জানিয়েছে সিবিআই।
গত ২৩ জুন থেকে এই মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। তাঁরা ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, দেশব্যাপী প্রশ্নফাঁস হয়নি। তবে স্থানীয় এলাকার বহু জায়গায় প্রশ্ন ফাঁস করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে বিহার পুলিশ ১৫ জনকে গ্রেফতার করে। প্রশ্ন চুরি নিয়ে প্রথম অভিযোগ ওই রাজ্যের পাটনাতেই দায়ের হয়েছিল।
ইতিমধ্যে অবশ্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর নিট-ইউজির সংশোধিত ফলাফল প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি। ফল প্রকাশের সঙ্গেই এদিন নতুন করে মেধাতালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ৭২০ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থানে রয়েছেন ১৭ জন। মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলার একজন পড়ুয়াও।
সিবিআই নিটের প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত ইস্যুতে আগেই আদালতে জানিয়েছে, গত ৫ মে ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগের ওয়েসিস স্কুল থেকে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছিল। এই কাণ্ডের 'মাস্টারমাইন্ড' পঙ্কজ কুমারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ওই স্কুলের প্রিন্সিপাল, ভাইস-প্রিন্সিপালও। শুধু তাই নয়, প্রশ্ন চুরি করার পর তা পাঠিয়ে দেওয়া হত হাজারিবাগের একদল এমবিবিএস পড়ুয়ার কাছে। তারাই তা সমাধান করে দিত। এরপর একে একে সেগুলি টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হত পরীক্ষার্থীদের কাছে।
সম্প্রতি এই তথ্যও উঠে এসেছে, ৩৫ থেকে ৬০ লক্ষ টাকায় ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র কিনেছিলেন পড়ুয়ারা! চুক্তি ছিল, ডাক্তারিতে সুযোগ পেলে দিতে হবে আরও ২০ লক্ষ টাকা করে। এভাবে ১২০ থেকে ১৫০ জন পরীক্ষার্থীর কাছে গিয়েছিল এই ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, ওয়েসিস স্কুলের প্রিন্সিপাল এবং ভাইস প্রিন্সিপালের তত্ত্বাবধানেই ট্রাঙ্ক-ভর্তি প্রশ্নপত্র স্কুলের কন্ট্রোল রুমে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকেই তা চুরি করা হয়।