
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 28 July 2024 12:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মোবাইলে পর্ন দেখে নাবালিকা বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক কিশোর দাদার বিরুদ্ধে। আর সেই ঘৃণ্য অপরাধের প্রমাণ লোপাটে মদত দেয় অভিযুক্তের মা ও দুই দিদি। মধ্যপ্রদেশের রেওয়ারের এক পরিবাররের ঘটনাটিকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে ১৩ বছরের অভিযুক্ত কিশোর সহ তাঁর দুই দিদি ও মাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রের খবর, গত ২৪ এপ্রিল মধ্যপ্রদেশের বাড়ির উঠোনে উদ্ধার হয় সেই বাড়িরই ৯ বছরের বালিকার দেহ। প্রাথমিকভাবে বাড়ির লোক জানায়, পোকার কামড়ে নাকি মৃত্যু হয়েছে তার। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরই নাবালিকার মৃত্যুর আসল কারণ সামনে আসে। জানা যায়, ধর্ষণ করে তাকে খুন করা হয়েছে। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ।
ঘটনাটির তদন্তে নেমে অন্তত ৫০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপরই অভিযুক্ত কিশোর সহ পরিবারের বাকি তিন সদস্যকে আটক করে পুলিশ পুলিশ। টানা জেরার মুখে অপরাধ স্বীকার করে অভিযুক্তেরা। এরপরই ঘটনার মূল অভিযুক্ত কিশোর সহ বাকি তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিতে পেরেছে, ঘটনার দিন মোবাইলে নীল ছবি দেখছিল কিশোরটি। পাশেই ঘুমোচ্ছিল ৯ বছরের বোন। সেই সময়ই নীল ছবির অনুকরণ করতে গিয়ে বোনকে ধর্ষণ করে কিশোর। নির্যাতিতা বাড়ির সকলে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলতেই ভয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করার চেষ্টা করে সে।
এরপর মাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে সব কথা খুলে বলে কিশোর। মা এসে দেখতে পান, নির্যাতিতা তখনও বেঁচে রয়েছে। এরপর ছেলেকে বাঁচাতে মেয়েকে টিপে খুন করেন মা। পরে ওই কিশোরের ১৭ ও ১৮ বছরের দুই দিদিও ঘটনাটি জানতে পারে। তাঁরাও খুনের পর মৃতদেহ লোপাট করতে করতে সাহায্য করে।
অভিযুক্তদের বার বার বয়ান বদলই পুলিশের সন্দেহ হয়। তদন্তকারীদের জিজ্ঞাসাবাদের শেষ পর্যন্ত নিজের অপরাধ স্বীকার করে কিশোর, তার মা ও দুই দিদি। অভিযুক্তৃদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে।