Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নৌকা অচল, আন্দামানে উদ্ধার প্রাণের ঝুঁকিতে থাকা ১৪২ রোহিঙ্গা শরণার্থী

দিল্লি থেকে কেন্দ্রীয় সরকার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শরণার্থীদের পোর্টব্লেয়ারেই রাখতে বলা হয়েছে। 

নৌকা অচল, আন্দামানে উদ্ধার প্রাণের ঝুঁকিতে থাকা ১৪২ রোহিঙ্গা শরণার্থী

শেষ আপডেট: 25 December 2023 10:14

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আন্দামান-নিকোবরের কাছে ভারত মহাসাগরে গত তিনদিন ধরে দিশাহীনভাবে ভাসছিল একটি নৌকা। সেটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে গিয়েছে। নৌকাটিতে ১৪২জন যাত্রী ছিলেন। আন্দামান-নিকোবর পুলিশ তাদের উদ্ধার করে পোর্টব্লেয়ারের একটি আশ্রয় শিবিরে নিয়ে রেখেছে। দিল্লি থেকে কেন্দ্রীয় সরকার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শরণার্থীদের পোর্টব্লেয়ারেই রাখতে বলা হয়েছে। 

আন্দামান-নিকোবর প্রশাসনের গোয়েন্দারা পোর্টব্লেয়ারে স্থানীয় পুলিশের কন্ট্রোল রুমকে রবিবার বিকালে ভাসতে থাকা নৌকাটির বিষয়ে জানায়। গোড়ায়নৌকাটির লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। উত্তাল সমুদ্রে দিশাহীনভাবে ভাসছিল সেটি। প্রাণের ঝুঁকিতে থাকা যাত্রীদের উদ্ধার করতে রাষ্ট্রসংঘের শরণার্থী শাখা ভারত-সহ একাধিক দেশকে অনুরোধ করে। পরে আন্দামান-নিকোবর পুলিশ নৌকার যাত্রীদের উদ্ধার করে। 

জানা গিয়েছে, নৌকার যাত্রীরা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মানুষ। যাত্রীদের বেশিরভাগ নারী ও শিশু। তারা বাংলাদেশের কক্সবাজারে অবস্থিত কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে পালিয়ে ইন্দোনেশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করছিল। পড়শি মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বাসিন্দা রোহিঙ্গারা দেশের সেনা বাহিনীর অত্যাচারের মুখে ২০১৭ সালে দেশ ছাড়ে। বাংলাদেশ সরকার তাদের আশ্রয় দেয়। একাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থা তাদের জন্য ত্রাণ সামগ্রী পাঠাত। 

কিন্তু করোনা পরিস্থিতি এবং রাশিয়-ইউক্রেন যুদ্ধে শুরুর পর বর্হিবিশ্ব থেকে ত্রাণ সামগ্রী আসা প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক স্তরে প্রচেষ্টা চালিয়েও এই শরণার্থীদের মায়ানমারে ফেরৎ পাঠাতে ব্যর্থ হয়েছে। তারা সংখ্যায় প্রায় ১৬ লাখ বলে একাধিক সরকারি সূত্র জানিয়েছে। কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকে প্রায়ই বিভিন্ন দেশে যেতে নৌকায় সাগরপাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে তারা। পালানোর সময় হাজারের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী ইতিমধ্যে সমুদ্রে ডুবে মারা গিয়েছেন।


```