
কুণাল ঘোষ।
শেষ আপডেট: 23 July 2024 21:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ত্রিপুরার ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে বড় অভিযোগ সামনে আনল তৃণমূল।
আগামী ৮ অগস্ট ত্রিপুরার ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর্ব মিটে যাওয়ার পর কমিশনের তরফে ভোটের চূড়ান্ত যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, গ্রাম পঞ্চায়েতের ৭১.৪৩% আসনে, পঞ্চায়েত সমিতির ৫৫.৫৬% আসনে এবং জেলা পরিষদের ১৭.২৪% আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে বিজেপি।
কমিশনের প্রকাশিত তালিকা সামনে রেখে বাংলার তৃৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, "এবার বিজেপি কী বলবে? গণতন্ত্র নিরাপদ, যেহেতু বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে!"তে শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে বাংলার পঞ্চায়েতে ১০ শতাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিলেন শাসকদলের প্রার্থীরা। তা নিয়ে গেল গেল রব তুলেছিল বিরোধীরা। মামলা গড়িয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টেও।
ওই প্রসঙ্গ টেনে কুণাল বলেন, "আমরা তো পরিষ্কার বলছিলা্ম, কিছু আসনে বিরোধীরা প্রার্থী খুঁজে পাইনি। অথচ ত্রিপুরায় বিনা ভোটেই সিংহভা্গ আসনে বিজেপি জিতে যাচ্ছে। এর বেলা গণতন্ত্র, আর বাংলার মানুষ জানে বিরোধীদের খুঁজে পাওয়া যায় না, তবু এখানে বড় বড় কথা বলে।"
এ ব্যাপারে বিজেপির প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি। তবে কমিশনের প্রকাশিত তালিকা সামনে আসতেই ত্রিপুরার বিরোধী দলগুলি বিজেপির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগে সরব হয়েছে। কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
কমিশনের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ত্রিপুরার মোট গ্রাম পঞ্চায়েতের সংখ্যা ৬৩৭০ টি। এর মধ্যে ৪৫৫০ টি আসনে বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে অর্থাৎ ৭১.৪৩% শতাংশ আসনে ভোটই হবে না। একইভাবে পঞ্চায়েত সমিতির ৫৫.৫৬% আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। পঞ্চায়েত সমিতির মোট ৪২৩ টি আসনের মধ্যে মাত্র ১৮৮টি আসনে নির্বাচন হবে।
একইভাবে জেলা পরিষদের ১৭.২৪% আসনে জয়ী হয়েছেন পদ্ম প্রার্থীরা। জেলাপরিষদের ১১৬টি আসনের মধ্যে ৯৬টি আসনে ভোট হবে।
প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল ২২ জুলাই। ৮ অগস্ট ভোটগ্রহণ, গণনা হবে ১২ অগস্ট। তবে ভোটের আগেই সিংহভাগ আসনে পদ্মপ্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে যাওয়ায় গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠ