
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 9 February 2025 17:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবারই দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন। পরাস্ত করেছেন কংগ্রেসের সন্দীপ দীক্ষিতকে। ইতিমধ্যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তার মধ্যেই রবিবার জন্মস্থান মুণ্ডকায় গিয়ে বাবা তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সাহেব সিং বর্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেলেন প্রবেশ বর্মা।
এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রবেশ জানান, "আমার বাবার জীবন আমার জন্য অনুপ্রেরণা। তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলি শেষ করা আমার একমাত্র লক্ষ্য। দিল্লির মানুষ আমাদের আশীর্বাদ করেছেন। কথা দিচ্ছি দলের সমস্ত বিধায়ক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দেখানো পথেই দিল্লিকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলবেন।"
“आपके सपने, हमारा संकल्प”
— Parvesh Sahib Singh (@p_sahibsingh) February 9, 2025
नई दिल्ली से विजय प्राप्त करने के उपरांत आज दिल्ली के पूर्व मुख्यमंत्री श्रद्धेय परम पूजनीय पिताजी स्वर्गीय डॉ. साहिब सिंह जी को उनकी समाधि स्थल घेवरा जाकर पुष्पांजलि अर्पित कर नमन किया और उनके सपनों को पूरा करने के लिए मिली जीत को उनके चरणों में… pic.twitter.com/FMjMxRxokb
বাবার সমাধিস্থলে পুষ্পস্তবক দিয়ে বর্মা অসমাপ্ত কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি মোদীর উপর আস্থা রাখার জন্য দিল্লিবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পুত্র। এদিন দিল্লির পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে প্রবেশ মনে করিয়ে দেন, দিল্লির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। তার জন্য দায়ী একমাত্র আম আদমি পার্টি।
প্রায় ২৭ বছর পর দিল্লিতে ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি। দিল্লির বাইরের নরেলা, বাওয়ানা, নাজাফগড় ইত্যাদি আসনে বড় জয় পেয়েছে গেরুয়া শিবির। দিল্লি দেহাতের করুণ অবস্থার কথা মনে করিয়ে প্রবেশের অভিযোগ, এখানকার মানুষ জানেন বিজেপিকে ভোট দিলে ভাল কাজ হবে।
পাশাপাশি বিতর্কিত ২০২৫ সালের যমুনা ইস্যু প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জানান, যমুনার সমাধান হবে আমাদের সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তিনি মনে করিয়ে দেন, "আমাদের সরকার গুজরাটে সবরমতী নদীর তীর তৈরি করেছে এবং প্রধানমন্ত্রী মোদী শনিবারই যমুনাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।"
সকালে জন্মস্থানে পৌঁছনোর পর তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। তিনি মুন্ডকার দাদা ভৈরব মন্দিরও পরিদর্শন করেন এবং সেখানে প্রার্থনাও করেন। কেজরিওয়ালকে চার হাজার ও কংগ্রেসের সন্দীপ দীক্ষিতকে ৪৫০০ ভোটে হারিয়ে নয়াদিল্লি কেন্দ্র দখল করেছেন তিনি।