Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মহা-মুখ্যমন্ত্রী কে? সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিজেপি, শিন্ডের ভবিষ্যৎ আরব সাগরের জলে দোল খাচ্ছে

অমিত শাহ ইতিমধ্যেই সরকার গঠনের তৎপরতা শুরু করে দিয়েছেন বলে জোর গুঞ্জন

মহা-মুখ্যমন্ত্রী কে? সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিজেপি, শিন্ডের ভবিষ্যৎ আরব সাগরের জলে দোল খাচ্ছে

বিজেপির নেতৃত্বে সরকার গঠন প্রায় অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠতে চলেছে

শেষ আপডেট: 23 November 2024 19:23

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহা-মুখ্যমন্ত্রী কে? কারণ, মহারাষ্ট্রের ভোটফলের যে গতিপ্রকৃতি, তাতে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হতে চলেছে। বিকেল পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, বিজেপি একাই ৫৫টি আসনে জিতে গিয়েছে এবং ৭৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অর্থাৎ ১৩৩টি আসর প্রায় ঘরে তুলতে চলেছে গেরুয়া শিবির। ২৮৮ সদস্যবিশিষ্ট বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার হল ১৪৫টি আসন। এই পরিস্থিতিতে বিজেপির নেতৃত্বে সরকার গঠন প্রায় অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠতে চলেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইতিমধ্যেই সরকার গঠনের তৎপরতা শুরু করে দিয়েছেন বলে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিশেষত বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দলের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পক্ষে চাপ আসতে শুরু করেছে। এই অবস্থায় একনাথ শিন্ডের মুখ্যমন্ত্রিত্বের ভবিষ্যৎ আরব সাগরের জলে দোল খাচ্ছে।

লোকসভা ভোটে বিরোধী জোট মহা বিকাশ আঘাড়ির বিপুল সাফল্যের পর বিজেপি তথা শাসক মহায়ুতি জোটে ব্যাপক হতাশা নেমে এসেছিল। কিন্তু সেই অবস্থা থেকে অমিত শাহ, দেবেন্দ্র ফড়নবিশের নেতৃত্ব দলকে প্রায় অন্ধকার থেকে টেনে তুলেছিলেন। সেই হিসেবে দেবেন্দ্র ফড়নবিশ রাজ্যে দলে সুনামি ডেকে এনেছেন এই ভোটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তাঁর হাতে রাজদণ্ড তোলার দাবি উঠতে শুরু করেছে। 

অনেকে এও বলতে শুরু করেছেন, বিজেপি এখন যে অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাতে রাতারাতি কংগ্রেস, উদ্ধব সেনা বা শারদ পাওয়ারের দল ভেঙে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়া আশ্চর্যের কিছু নয়। ফলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দোরগোড়ায় ঘোরাঘুরি করা বিজেপির আরও পাল্লা ভারী হওয়া সময়ের অপেক্ষা বলা যায়। তবে অন্দরের খবর, বিজেপি এই মুহূর্তে কোনও অবস্থাতেই জোট শরিকদের বঞ্চিত করে সরকার গঠনে রাজি নয়। জোটধর্ম বজায় রেখেই সরকার গঠিত হবে।

মহারাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণে জয়ের প্রায় নিশ্চয়তা চলে আসায় অভিনন্দনের বন্যা চলছে মহায়ুতি জোটে। কিন্তু, তারমধ্যেই মেঘ ঘনিয়েছে হবু মুখ্যমন্ত্রীর মুখ নিয়ে। ভোটের আগে যেমন-তেমন করে তিন দলের দুজনকে উপমুখ্যমন্ত্রী করে কাজ চালিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। কিন্তু, ২৮৮ আসন বিশিষ্ট মহারাষ্ট্র বিধানসভায় ২৩৪টিতে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট। যার মধ্যে বিজেপি একাই হাতে পেতে চলেছে ১৩৩টি আসন। ফলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসাবে মুখ্যমন্ত্রী পদে হকদার হতে পারে বিজেপিই। কারণ জোটের অন্য দুই শরিক শিন্ডে শিবসেনা ৫৭টি এবং অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর এনসিপি ৩৯টিতে এগিয়ে রয়েছে। সে কারণে যত মিনিট কাটছে ততই বিজেপির পক্ষে মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবি জোরাল হতে চলেছে।

ইতিমধ্যেই উদ্ধব ঠাকরে, রাহুল গান্ধী, শারদ পাওয়ারদের মহা বিকাশ আঘাড়িকে রাজ্যে মুছে ফেলে ক্ষমতায় বসতে চলা একনাথ শিন্ডে, দেবেন্দ্র ফড়নবিশ ও অজিত পাওয়ারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, নীতিন গড়করিসহ বিজেপির তাবড় নেতৃত্ব। কিন্তু, তারমধ্যেই উঠেছে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী মুখ নিয়ে বিতর্ক। 

উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের মা সরিতা ফড়নবিশ দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন, তাঁর ছেলেই পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দাবিদার। তিনি বলেন, অবশ্যই ও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার হকদার। কারণ এই মুহূর্তটির জন্য ও দিনরাত এক করে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গিয়েছে। একইভাবে শিন্ডে অনুগামীদের বক্তব্য, জোটের সংকটকালে একনাথ শিন্ডে যেভাবে রাজ্য পরিচালনা করেছেন তাতে তিনিই ফের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দাবিদার। অন্যদিকে, অজিত পাওয়ারের গোষ্ঠীরও দাবি তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করা হোক। 

প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটে খারাপ ফলের পর বিজেপি ফের উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে রাজ্যে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কেন্দ্রিক ফোকাস সরিয়ে আঞ্চলিক নেতৃত্বের দিকে এনে ফেলায় এবং স্থানীয় ছোট ছোট সমস্যাকে ইস্যু করার সাফল্য ঘরে তুলল গেরুয়া শিবির। পাশাপাশি বহুদিন পর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরাসরি সাহায্য চেয়ে এবং আরএসএসের সহায়তায় জয় হাসিল করেছে পদ্ম শিবির।


```