
ভবেশ ভিন্ডে। ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 14 May 2024 15:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুম্বইয়ে বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং ভেঙে ১৪ জনের মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই উধাও ভবেশ ভিন্ডে। যিনি ওই বিজ্ঞাপন কোম্পানি ইগো মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের মালিক। পুলিশ সোমবার রাত থেকে তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালালেও বেআইনি হোর্ডিং লাগিয়ে রাখা ভবেশের মুম্বই পুরসভা ও পুলিশ মহলে বেশ দবরব ছিল। জানা গিয়েছে, যে হোর্ডিংটি ভেঙে পড়ে সেটির নাম লিমকা বুক অফ রেকর্ডসে উঠেছিল। বৃহত্তম হোর্ডিং হিসেবে এটির নাম ওঠে লিমকা বুক অফ রেকর্ডসে।
ঘাটকোপারের ঘটনার পর গোটা দেশ নড়েচড়ে বসলেও ভিন্ডের বিরুদ্ধে ২৩টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এমনকী এ বছরের জানুয়ারিতে মুলুন্দ থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণের মামলায় হয়। কিন্তু, এ পর্যন্ত ভিন্ডের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সোমবার অতিবৃষ্টি ও ঝড়ে একটি বিশাল হোর্ডিং ভেঙে ১৪ জনের মৃত্যু ছাড়াও জখম হয়েছেন অন্তত ৭৪ জন। ভিন্ডের বিরুদ্ধে একটি মামলা রুজু করলেও তিনি এখনও পর্যন্ত অধরাই। উল্লেখ্য, ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ চার্জশিট দিয়েছে আদালতে। প্রশ্ন উঠেছে, এরকম এক ব্যক্তি কী করে শহরের বুকে অবৈধ হোর্ডিংয়ের ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে!
শুধু পুলিশ-প্রশাসনেই নয়, রাজনীতিতেও হাতেখড়ি দিয়েছিলেন ভিন্ডে। কিন্তু সফল হননি। ২০০৯ সালে মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটে তিনি প্রার্থী হলেও পরাজিত হন। সেখানে জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি জানান, তাঁর বিরুদ্ধে ২৩টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে।
তাঁর বিরুদ্ধে চেক বাউন্স করা, রেল এবং বৃহন্মুম্বাইয়ে হোর্ডিং এবং ব্যানারের অবৈধ কারবার চালানোর অভিযোগ রয়েছে। বৃহন্মুম্বাই পুরসভা ভিন্ডের বিরুদ্ধে বিষ দিয়ে গাছ মেরে ফেলার অভিযোগও তুলেছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিন্ডে আগে গুজু অ্যাডস বলে একটি কোম্পানি চালাতেন। ওই কোম্পানিকেও কালো তালিকাভুক্ত করে দেয় পুরসভা। তারপরেই এই ইগো মিডিয়া কোম্পানি খুলে একই ধরনের ব্যবসা চালাতে শুরু করেন ভিন্ডে।