
শেষ আপডেট: 20 January 2024 16:08
শনিবার রাত থেকেই সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ হচ্ছে অযোধ্যায়। শুধুমাত্র মন্দির উদ্বোধনে আমন্ত্রিতরা ও এলাকার বাসিন্দারা থাকতে পারবেন শহরে। বিশেষ পরিচয়পত্র দেখিয়ে চলাফেরা করতে পারবেন। শহরে থাকতে পারবেন সাংবাদিকরাও। বাকি সবার জন্য বন্ধ হচ্ছে অযোধ্যার দরজা। তাই শহরে ভিড় করা পুণ্যার্থীদের বেশিরভাগই দূর থেকে নতুন রামমন্দির দর্শন করে শহর ছাড়ছেন। রামভক্ত হনুমানের মন্দিরেও উপচে পড়ছে ভিড়।
অযোধ্যায় রামলালার অস্থায়ী মন্দিরের কাছাকাছি হনুমান গড়ির মন্দির। প্রাচীন এই মন্দিরটি দশম শতাব্দীতে তৈরি বলে কথিত রয়েছে। মন্দিরের গায়ের কারুকাজেও সেই প্রাচীন রূপ ধরা রয়েছে। অযোধ্যায় রামলালার দর্শনে যাঁরা আসেন তাঁরা রামভক্ত হনুমানের মন্দিরেও ভিড় জমান। শনিবার সেই ভিড় যেন উপচে পড়ল।
নতুন রামমন্দিরের উদ্বোধন ও রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তা বলয় অযোধ্যা জুড়ে। নতুন মন্দির তো বটেই, অস্থায়ী মন্দিরেও নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি চলছে। হনুমান গড়ির মন্দিরে অবশ্য সেই নিরাপত্তা অনেকটাই ঢিলেঢালা। তাই রামলালার দর্শনে বাধা পেয়ে অনেক পুণ্যার্থীই তাঁদের ভক্তি উজার করে দিচ্ছেন রামভক্ত হনুমানের মন্দিরে। বছরের অন্য সময় যেমন থাকে, তেমনই পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এখানে। দর্শনার্থীরা সারিবদ্ধভাবে সিঁড়ি দিয়ে উঠে পুজো দিচ্ছেন হনুমানজীর প্রাচীন মন্দিরে। মানুষের বিশ্বাস, ১৪ বছরের বনবাস শেষ করে রামচন্দ্র যখন অযোধ্যায় ফিরে আসেন, তাঁর সঙ্গেই এসেছিলেন হনুমান। সেই বিশ্বাস থেকেই হনুমানের মন্দির তৈরি করা হয় এখানে।
মাঝখানে আর একটা দিন। ২২ তারিখ সোমবার দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নতুন মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন। তারই কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে শহরজুড়ে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে শহর। রাজপথে সরকারি বাস ছাড়া অন্য কোনও যানবাহন চলাচল করছে না। গলিপথে চলছে টোটো-অটো-চারচাকা গাড়ি। যত সময় এগোচ্ছে বাহারি ফুলে-পতাকায় ততই রঙিন হয়ে উঠছে অযোধ্যা।