বরেলির একটি ক্যাফেতে হিন্দু তরুণীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে মুসলিম যুবকদের উপস্থিতি ঘিরে ‘লাভ জিহাদ’-এর অভিযোগ তুলে মারধরের অভিযোগ বজরং দলের বিরুদ্ধে। ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও শুরু বিতর্ক।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 29 December 2025 08:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত শনিবার বরেলির প্রেম নগরের একটি ক্যাফেতে নিজের ২০ বছরের জন্মদিন পালন করছিলেন বিএসসি নার্সিং-এর এক ছাত্রী। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ৯ জন বন্ধু (৫ জন তরুণী ও ৪ জন তরুণ)। এই আমন্ত্রিতদের তালিকায় দুজন মুসলিম যুবক থাকায় চড়াও হয় বজরং দলের প্রায় ১২ জন সদস্য।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে (যার সত্যতা যাচাই করা হয়নি) দেখা গিয়েছে, বজরং দলের সদস্যরা ক্যাফেতে ঢুকে এক তরুণকে চড় মারে এবং অন্যজনকে টেনে এনে বেধড়ক মারধর শুরু করে। আক্রান্তদের বাঁচাতে গেলে এক তরুণীর ওপরও চড়াও হয় হামলাকারীরা। অভিযোগ উঠেছে, মারধরের জেরে এক মুসলিম তরুণের হাড় ভেঙে গিয়েছে।
ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে আক্রান্ত দুই যুবক এবং ক্যাফের এক কর্মীকে ‘শান্তিভঙ্গের’ অভিযোগে জরিমানা করে। পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠলে বাধ্য হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে প্রেম নগর থানার পুলিশ।
Statement of the girl whose birthday party was gate-crashed by right wing groups in Bareilly, UP.
"They stormed the cafe, began assualting my friends and startwd accusing of "Love-Jihad". They tried to harass and snatch my phone. Most of the guests were Hindu and there were… https://t.co/dfDAEdtdF8 pic.twitter.com/A9tT2mureb— Piyush Rai (@Benarasiyaa) December 28, 2025
আক্রান্ত নার্সিং ছাত্রীর স্পষ্ট দাবি, "ওরা এসে ‘লাভ জিহাদ’-এর ভিত্তিহীন দাবি তুলে হুজ্জুতি শুরু করে। আমার বন্ধুদের হেনস্থা ও মারধর করা হয়েছে।"
অন্যদিকে, বরেলির এসপি মানস পারিক জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কেন প্রাথমিক পদক্ষেপ করা হয়নি, সে বিষয়ে প্রেম নগর থানার স্টেশন হাউস অফিসারের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। অফিসারের দাবি, অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। তবে পুলিশ দোষীদের দ্রুত শাস্তির আশ্বাস দিয়েছে।