Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইন

বিচার ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা হচ্ছে, ২১ প্রাক্তনীর চিঠি প্রধান বিচারপতিকে

দেশের ২১ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তাঁরা বলেছেন, বিচার ব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে দুর্বল করার করার চেষ্টা চলছে।

বিচার ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা হচ্ছে, ২১ প্রাক্তনীর চিঠি প্রধান বিচারপতিকে

ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড়

শেষ আপডেট: 15 April 2024 13:17

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের ২১ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তাঁরা বলেছেন, বিচার ব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে দুর্বল করার করার চেষ্টা চলছে। নানাভাবে আদালতের উপর দোষ চাপাতে ব্যস্ত একটি স্বার্থান্বেষী মহল।

ওই ২১ জন প্রাক্তনী সুপ্রিম কোর্ট এবং হাই কোর্টের বিচারপতি ছিলেন। চিঠিতে তারা বিচার বিভাগের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও কোনও নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি।

প্রসঙ্গত, গত মাসে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের দুশো জন আইনজীবী ও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বর্তমান প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখে একই কথা বলেছিলেন। তাঁরাও বলেন দেশে বিচার ব্যবস্থাকে ক্রমশ আক্রমণ করা হচ্ছে। যদিও বিচারপতি এবং আইনজীবীরাও চিঠিতে বিচার ব্যবস্থাকে অসম্মান এবং অস্বীকার করার কোনও দৃষ্টান্ত তুলে ধরেনি। 

তবে রাজনৈতিক মহল মনে পড়ছে প্রাক্তন বিচারপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবীদের খোলা চিঠি লেখার সময়টি তাৎপর্যপূর্ণ। দেশের বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকার ইডি, সিবিআইয়ের মতো এজেন্সিগুলি সক্রিয় রয়েছে। নির্বাচনের সময়ও তাতে বিরাম নেই। 

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার বিরোধীদের অভিযোগের জবাবে আদালতকে দেখিয়ে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীরা বারে বারে বলছেন, তদন্ত হচ্ছে আদালতের নির্দেশে। সরকারের কোনও হাত নেই। 

কোনও কোনও মহল মনে করছে, এইভাবে আদালতকে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনা হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে  আবার আদালতের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যেমন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মামলায় দিল্লি হাই কোর্টের এক বিচারপতির রায় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে মেল পাঠিয়ে নালিশ ঠুকেছেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তাঁর অভিযোগ ওই বিচারপতি কেজরিওয়ালের মামলায় ইডির গ্রেফতারিকে বৈধতা দিয়ে বলেছেন কেন্দ্রীয় এজেন্সিটির হাতে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ আছে। যদিও বিচারপতি সেই নথিপত্র কেজরিওয়াল বা তাঁর আইনজীবীদের দেখার সুযোগ দেননি।


```