
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
শেষ আপডেট: 29 June 2024 17:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জামিন নিয়ে জটিলতার মধ্যেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। এরপর আদালত তাঁর ৩ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। শনিবার কেজরিওয়ালকে আবগারি মামলায় ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠাল দিল্লির আদালত। আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত হেফাজতে থাকবেন তিনি।
দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত কেজরিওয়ালকে তিনদিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠিয়েছিল। শনিবারই সেই সময়সীমা শেষ হওয়ায় তাঁকে ফের আদালতে হাজির করানো হয়। এদিন সিবিআই-এর তরফে আদালতে বলা হয়, ''ন্যায়বিচার এবং নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে হেফাজতে নেওয়া ভীষণ জরুরি।'' একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা অভিযোগ করে, আবগারি নীতি নিয়ে একাধিক প্রশ্নের যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে পারেননি কেজরিওয়াল। নয়া আবগারি নীতিতে কেন হোলসেলারদের প্রফিট মার্জিন ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২ শতাংশ করা হয়েছে তারও কোনও যথাযথ ব্যাখ্যা নেই।
গত ২০ মে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত কেজরিওয়ালের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছিল। কিন্তু তিহাড় থেকে তিনি বের হওয়ার আগেই ইডি দিল্লি হাইকোর্টে গিয়ে জামিনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় শেষ পর্যন্ত কেজরিওয়ালের জামিন খারিজ হয়ে গিয়েছে। এরপরই তাঁকে আবগারি মামলাতেই গ্রেফতার করে সিবিআই। শনিবার তাঁদের আর্জিতেই আদালত কেজরিওয়ালকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আরও অনেক গুরুতর অভিযোগ এনেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তাঁদের দাবি, এই মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে বৈঠকের কথা সাফ অস্বীকার করছেন কেজরিওয়াল। এই সংক্রান্ত যাবতীয় প্রশ্নই তিনি এড়িয়ে যাচ্ছেন। এমনকী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আতঙ্কের মধ্যেই কেন হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে এই নতুন আবগারি নীতি কার্যকর করা হয়েছিল, তারও কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেননি কেজরিওয়াল।