
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
শেষ আপডেট: 7 February 2025 19:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লিতে বিজেপি ২৭ বছর পর ফিরছে, এমন ইঙ্গিত দিয়েছে এক্সিট পোল। যদিও তা পাত্তা না দিয়ে আম আদমি পার্টির বক্তব্য, 'ফিরবে আবার কেজরিওয়াল'। নির্বাচনের ফলাফল কী হয় তা আর কয়েক ঘণ্টা পরই স্পষ্ট হয়ে যাবে। কিন্তু তার আগে কার্যত 'বোমা' ফাটালেন আপ সুপ্রিমো। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরাট অভিযোগ করলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
শনিবার দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ। তার আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় বড় অভিযোগ করেছেন কেজরিওয়াল। তাঁর দাবি, একাধিকবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন ভোটারদের তথ্য আপলোড করছে না। কেজরি জানিয়েছেন, ''আমরা দিল্লির প্রতিটা বিধানসভার প্রত্যেকটি বুথের ভোটারদের তথ্য চেয়েছিলাম নির্বাচন কমিশনের কাছে। বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা কিছুতেই ফর্ম ১৭সি আপলোড করছে না।'' আপ সুপ্রিমো বলছেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই কাজ করার কথা কমিশন। কিন্তু দুর্ভাগ্য তাঁরা তা করছে না।
আম আদমি পার্টি নিজেরাই transparentelections.in নামের একটি ওয়েবসাইট লঞ্চ করেছে যেখানে এইসব তথ্য আপলোড করা হয়েছে। তাঁদের কথায়, মানুষের জানার অধিকার আছে যে কোন বুথে কত ভোট পড়েছে। একই সঙ্গে দাবি, তৃতীয়বারের জন্য দিল্লিতে আপ সরকার গঠন এখন শুরু সময়ের অপেক্ষা।
EC has refused to upload form 17C and number of votes polled per booth in each assembly despite several requests. Aam Aadmi Party has made a website - https://t.co/vm6K3f3JcG where we have uploaded all the form 17C of every assembly. This form has all the details of votes polled…
— Arvind Kejriwal (@ArvindKejriwal) February 7, 2025
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, এবার খোদ অরবিন্দ কেজরিওয়ালই আপের আসন কমবে বলে মন্তব্য করেছিলেন। আপ সুপ্রিমোর ব্যাখ্যা ছিল, এবারের ভোটে আপ ৫৫টি আসন পেতে পারে। কিন্তু মহিলারা যদি বেশি করে ভোট দিতে বের হন, যদি এবং তাদের পরিবারের পুরুষদেরও আপকে ভোট দিতে রাজি করাতে পারেন, তাহলে তাঁর দল ৬০টি আসন বা তার বেশি পেতেই পারে।
এদিকে এক্সিট পোল দেখে আপের দাবি, আগেও তাঁদের 'ছোট' করে দেখা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা প্রমাণ করেছে যে এক্সিট পোল সব নয়। এবারও তাই হবে। প্রসঙ্গত, গত দুই বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি এবং কংগ্রেসকে কার্যত দাঁড়াতে দেয়নি আম আদমি পার্টি। ২০১৫ সালে তাঁরা পেয়েছিল ৭০-এর মধ্যে ৬৭টি আসন। আর ২০২০ সালে তা একটু কমে হয়েছিল ৬২টি।