
অমিত শাহ
শেষ আপডেট: 11 November 2024 17:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বড় দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। স্পষ্ট জানালেন, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ঝাড়খণ্ডের জনজাতির মেয়ে বিয়ে করলে তাদের জমির অধিকার মিলবে না। এই প্রসঙ্গে ঝাড়খণ্ড মুক্তি-মোর্চা এবং কংগ্রেস জোটকেও নিশানা করেছেন তিনি।
সরাইকেলায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে অমিত শাহ অভিযোগের সুরে বলেন, অনুপ্রবেশকারীরা দেশের মহিলাদের বিয়ে করে জমি দখল করছে। আর ঝাড়খণ্ডে এই সুযোগ তাঁদের করে দিচ্ছে জেএমএম-কংগ্রেস জোট। বিজেপি যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে সবার প্রথমে এই ইস্যুর বিরুদ্ধে আইন আনবে। অনু্প্রবেশকারীদের কোনও ভাবেই জমি দখল করতে দেবেন না তাঁরা।
ঝাড়খণ্ডের জনজাতি মেয়েদের বিয়ে করে পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ভারতের জমি দখল করছে বলেই দাবি শাহের। তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন, একবার ক্ষমতায় এলে তাঁরা কমিটি গঠন করে এইসব অনু্প্রবেশকারীদের চিহ্নিত করবেন। তারপর দেশের থেকে তাঁদের ছিনিয়ে নেওয়া জমিও উদ্ধার করবে বিজেপি সরকার। অমিত শাহের এই মন্তব্যে নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্যেরই ছায়া দেখা গেছে। কারণ কিছুদিন আগে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে কার্যত এমনই কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
গারওয়াতে নির্বাচনী প্রচারে মোদীর বক্তব্য ছিল, ''তোষণের রাজনীতির চূড়ান্ত সীমায় চলে গেছে জেএমএম-কংগ্রেস জোট। সামাজিক সম্প্রতি নষ্ট করার জন্য দায়ী এরাই। অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থন করেন এই নেতারা। বাংলাদেশিদের ভোট নিয়ে নিজেদের ক্ষমতা বজায় রাখতেই দেশের জমি বিলিয়ে দেয় তাঁরা।'' অমিত শাহের মন্তব্যে আবার এই প্রসঙ্গের পাশাপাশি চম্পাই সোরেনের কথাও উঠে আসে।
হেমন্ত সোরেন দুর্নীতি মামলায় জেলে যাওয়ার পর ঝাড়খণ্ডের মু্খ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন চম্পাই সোরেন। কিন্তু তিনি জামিন পাওয়ার পর চম্পাইকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই তিনি গত আগস্ট মাসে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। বিরোধী শিবিরকে শাহের খোঁচা, এটা শুধু চম্পাই সোরেনের অপমান নয়, জনজাতি সমাজের অপমান। তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, জেএমএস-কংগ্রেস জোটের নেতারা সকলেই দুর্নীতিগ্রস্থ। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সকলকে জেলে পাঠানো হবে।